প্রশ্নের বর্ণনা

a অতুল প্রসাদ সেন
b মুকুন্দরাম
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d শেখ ফজলুল করিম
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - পঙ্ক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত গানের অংশ। - এখানে মরণ বা মৃত্যুকে ঈশ্বরের বা পরম সত্তার সমতুল্য মনে করে ভক্তি ও প্রেমের প্রকাশ ঘটানো হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক। - এই পঙ্ক্তিটি তাঁর বিখ্যাত পূজা পর্যায়ের একটি গানে পাওয়া যায় যা মৃত্যুভয়কে জয় করার বার্তা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি মৃত্যুচেতনার গান হলো জীবন মৃত্যু পায়ের ভৃত্য চিত্র মহাশূন্যে। ব্যাখ্যা: এই গানেও কবির দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং মৃত্যুর প্রতি নির্ভীক মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঞ্চিতা কাব্যগ্রন্থটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্য ইতিহাসের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং বিখ্যাত তথ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতুল প্রসাদ সেন — ইনি বাংলা ভাষার প্রখ্যাত গায়ক ও সুরকার হলেও এই পঙ্ক্তিটি তাঁর রচিত নয়। B) মুকুন্দরাম — ইনি মধ্যযুগের বিশিষ্ট চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা এবং তাঁর লেখার ধারা সম্পূর্ণ ভিন্ন। D) শেখ ফজলুল করিম — ইনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও এই পঙক্তির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - মরণকে শ্যাম বা কৃষ্ণের সঙ্গে তুলনা করে গান লেখার এই বিশেষ ভাবনার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের ভক্তিদর্শন মনে রাখতে হবে। - পরীক্ষার হলে মৃত্যু বিষয়ক গভীর দার্শনিক গান পেলে সাধারণত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উত্তর হিসেবে বেশি আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বিখ্যাত পঙ্ক্তির রচয়িতা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - মূল কবিতার নাম এবং রচয়িতাদের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার সাফল্যের জন্য জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0