প্রশ্নের বর্ণনা

a শিশু + ষ্ণ
b শিশু + ষ্ণ্য
c শিশু + শব
d শৈ + শব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শিশু + ষ্ণ ১. কেন সঠিক: - শৈশব শব্দটি গঠিত হয়েছে শিশু শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। - মূল শব্দ শিশু এর সঙ্গে ভাববাচক তদ্ধিত প্রত্যয় ষ্ণ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ শৈশব তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তদ্ধিত প্রত্যয় হলো সেই প্রত্যয় যা নাম প্রকৃতির অর্থাৎ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। - শিশু একটি বিশেষ্য পদ এবং এর সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত করার কারণে আদি স্বর অ বা আ স্থানে ঐ কার এবং অন্ত্য বর্ণের পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানব + ষ্ণ = মানবের প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্দেশ করে। ব্যাখ্যা: এটি একই নিয়মে গঠিত তদ্ধিত প্রত্যয়ের আরও একটি বহুল প্রচলিত ও গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। উদাহরণ ২: সুন্দর + ষ্ণ = সৌন্দর্য। ব্যাখ্যা: এটিও তদ্ধিত প্রত্যয়ের মাধ্যমে গঠিত শব্দের অপর একটি চমৎকার উদাহরণ যা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিশু + ষ্ণ — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্দেশ করে কারণ শিশু শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যোগে শৈশব হয়। B) শিশু + ষ্ণ্য — এখানে অতিরিক্ত য ফলা যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) শিশু + শব — শব কোনো প্রত্যয় নয় বরং এটি একটি স্বাধীন শব্দ যার সঙ্গে শিশু শব্দের কোনো প্রত্যয়গত সম্পর্ক নেই। D) শৈ + শব — শৈ বলে কোনো মূল শব্দ বা প্রকৃতি বাংলায় নেই তাই এটি সম্পূর্ণ ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - তদ্ধিত প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় আদি স্বরের পরিবর্তন খেয়াল রাখতে হবে। - শিশু থেকে শৈশব তৈরির ক্ষেত্রে প্রথম ই কার বা অ কার পরিবর্তিত হয়ে ঐ কার ধারণ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বিশেষ্য পদ থেকে ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে ষ্ণ প্রত্যয়ের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাকরণিক নিয়ম।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0