প্রশ্নের বর্ণনা

a শোকের অনল
b শোকের ন্যায় অনল
c শোক রূপ অনল
d শোকের অভাব
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শোক রূপ অনল ১. কেন সঠিক: - শোকানল শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো শোক রূপ অনল এবং এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। - এখানে শোক ও অনল অভিন্ন বা একই বস্তু হিসেবে কল্পিত হয়েছে যেখানে উপমা ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ বা কল্পিত রূপ বোঝানো হয় তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। - এই সমাসে সাধারণ সাধারণত মাঝখানে রূপ পদটি ব্যবহার করে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয় এবং সমস্ত পদেও রূপ শব্দটি অনুমিত বা দৃশ্যমান থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত ও পরীক্ষার্থীবান্ধব উদাহরণ। উদাহরণ ২: ক্রোধাগার ব্যাখ্যা: ক্রোধ রূপ আগার, এটিও উপমান ও উপমেয়ের অভেদ কল্পনা করে রূপক কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শোকের অনল — এটি সাধারণ ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস বোঝায়, কিন্তু শোক ও আগুন আক্ষরিক অর্থে আলাদা নয় বরং রূপক অর্থে ব্যবহৃত। B) শোকের ন্যায় অনল — ন্যায় শব্দ ব্যবহার করা হয় উপমিত বা উপমান কর্মধারয় সমাসে, কিন্তু এখানে তুলনা নয় বরং অভেদ কল্পনা করা হয়েছে। D) শোকের অভাব — অভাব অর্থে অব্যাবহৃত অব্যয়ীভাব সমাস হয়, কিন্তু শোকানল শব্দের অর্থ অভাব বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে যদি রূপ শব্দটি থাকে এবং সমস্ত পদে দুটি পদের মধ্যে অভেদ বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে রূপক কর্মধারয় সমাস দাগাবে। - শোক, বিষাদ, ক্রুদ্ধ বা মন সংক্রান্ত শব্দের সঙ্গে রূপ থাকলে তা সাধারণত রূপক কর্মধারয় হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিষাদসিন্ধু, ক্রুদ্ধানল ও শোকানল শব্দগুলো রূপক কর্মধারয় সমাসের জন্য সবচেয়ে বেশি আসে। - সমস্ত পদের প্রথম অংশ উপমেয় এবং শেষের অংশ উপমান হলে মাঝখানে রূপ বসিয়ে সহজে ব্যাসবাক্য নির্ণয় করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0