প্রশ্নের বর্ণনা

a শুকুর মুহম্মদ
b শেখ ফয়জুল্লাহ
c ভীমদাস
d শ্যামদাস
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শেখ ফয়জুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - 'সত্যপীর' কাব্যটি মধ্যযুগের কবি শেখ ফয়জুল্লাহ রচনা করেছেন। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে পীর সাহিত্য বা সত্যপীর সংক্রান্ত মঙ্গলকাব্যের ধারায় এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণ্য গ্রন্থ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শেখ ফয়জুল্লাহ ষোলো শতকের একজন বিশিষ্ট মধ্যযুগীয় মুসলিম কবি এবং তিনি আরাকান রাজসভার পূর্ববর্তী সময়ের কবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর রচিত 'সত্যপীর' বা 'গাজী মল্লুকের পুথি' কিংবা 'সত্যানন্দের পুথি' মধ্যযুগের সমাজ ও সংস্কৃতির এক অনন্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেখ ফয়জুল্লাহ রচিত অন্য একটি বিখ্যাত কাব্য হলো 'গাজী ও কালু কাহিনী'। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের লোকসাহিত্যের একটি জনপ্রিয় ধারা যেখানে পীর বা গাজীদের মহিমা প্রচার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের কবি শাহ মুহাম্মদ সগির রচিত বিখ্যাত কাব্য হলো 'ইউসুফ জুলেখা'। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক প্রণয়োপাখ্যান বা রোমান্টিক কাব্য হিসেবে স্বীকৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুকুর মুহম্মদ — ইনি 'গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাস' কাব্যের একজন রচয়িতা, সত্যপীর গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) শেখ ফয়জুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি 'সত্যপীর' গ্রন্থটি রচনা করেছেন। C) ভীমদাস — ইনি সত্যপীর বা এজাতীয় কোনো গ্রন্থ রচনা করেননি, তাই এটি ভুল। D) শ্যামদাস — ইনিও সত্যপীর গ্রন্থটির রচয়িতা নন, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শেখ ফয়জুল্লাহর নাম দেখলে মনে রাখবে তিনি সত্যপীরের কথা প্রচার করেছিলেন। - পীর বা দরবেশদের নিয়ে লেখা প্রাচীন কাব্যের প্রধান একজন রূপকার হলেন শেখ ফয়জুল্লাহ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের অবদান এবং তাঁদের সাহিত্যকর্ম থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবি শেখ ফয়জুল্লাহর সাহিত্যকর্ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0