প্রশ্নের বর্ণনা

a চর্যাপদ
b রঘুবংশ কাব্য
c শূন্যপূরণ
d শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি তথ্যগতভাবে ভুল। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী মধ্যযুগের আদি নিদর্শন হলো চর্যাপদ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় উত্তরপত্রে ভুল উত্তর দেওয়া থাকে, তাই প্রমিত ইতিহাস অনুসারে সঠিক তথ্য জানতে হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন হলো চর্যাপদ, যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধনসঙ্গীত এবং এর আবিষ্কারকাল ১৯০৭ সাল। - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য মধ্যযুগের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন হলেও এটি মধ্যযুগের আদি নিদর্শন নয়, বরং এটি বড়ু চণ্ডীদাসের রচিত একটি শ্রীরাধাকৃষ্ণ বিষয়ক কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও মধ্যযুগের আদি নিদর্শন। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের শ্রীরাধাকৃষ্ণ বিষয়ক প্রথম ও একমাত্র পুর্ণাঙ্গ প্রাপ্ত কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চর্যাপد — এটি মধ্যযুগের আদি নিদর্শন হলেও প্রদত্ত উত্তরে এটিকে সঠিক বলা হয়নি, যা একটি ঐতিহাসিক ভুল। B) রঘুবংশ কাব্য — এটি মহাকবি কালিদাসের রচিত একটি ধ্রুপদী সংস্কৃত মহাকাব্য, বাংলা সাহিত্যের কোনো নিদর্শন নয়। C) শূন্যপূরণ — এটি রামাই পণ্ডিত রচিত একটি ধর্মীয় গ্রন্থ, যা মধ্যযুগের নাথ সাহিত্য ও ধর্মপূজা পদ্ধতির সঙ্গে সম্পর্কিত। D) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য — এটি মধ্যযুগের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হলেও আদি নিদর্শন নয়, তাই প্রশ্নটির মূল দাবি অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ ও মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন মনে রাখার জন্য চর্যাপদ নামটিকে সবার আগে মাথায় রাখতে হবে। - পরীক্ষার প্রশ্নে ভুল উত্তর দেওয়া থাকলে নিজের জ্ঞান ও প্রমিত বইয়ের তথ্যকে প্রাধান্য দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়। - মধ্যযুগের সময়কাল ধরা হয় ১২০১ সাল থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0