প্রশ্নের বর্ণনা

a শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
b মঙ্গলকাব্য
c বৈষ্ণব পদাবলী
d শ্রীকৃষ্ণবিজয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শ্রীকৃষ্ণবিজয় ১. কেন সঠিক: মালাধর বসু কৃত্তিবাস ও চণ্ডীদাসের সমসাময়িক কবি এবং মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম স্বীকৃত অনুবাদক। তিনি শ্রীমদ্ভগবত পুরাণের দশম ও একাদশ স্কন্ধের বাংলা অনুবাদ করেন এবং এই কাব্যের নাম দেন শ্রীকৃষ্ণবিজয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মালাধর বসু সুলতান বরবক শাহের আমোদ বা পৃষ্ঠপোষকতায় ১৪৭৩ থেকে ১৪৮০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে শ্রীকৃষ্ণবিজয় রচনা করেন। এই কাব্য রচনার জন্য সুলতান তাঁকে সত্যরাজ খাঁ উপাধিতে ভূষিত করেন এবং এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃত্তিবাস ওঝা রচিত শ্রীরাম পাঁচালী। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের রামায়ণ অনুবাদের একটি অন্যতম প্রধান নিদর্শন এবং বাংলা সাহিত্যের আদি অনুবাদ সাহিত্য। উদাহরণ ২: চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি নিদর্শন এবং পুঁথি আকারে আবিষ্কৃত বাংলা ভাষার একটি প্রাচীন সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন — এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি কাব্য এবং এটি ভাগবতের অনুবাদ নয়, বরং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক নাটকীয় কাব্য। B) মঙ্গলকাব্য — এটি মধ্যযুগের এক ধরণের জনপ্রিয় লৌকিক দেবদেবী কেন্দ্রিক কাব্য ধারা, যা ভাগবতের অনুবাদের নাম নয়। C) বৈষ্ণব পদাবলী — এটি শ্রীকৃষ্ণের ও রাধার প্রেমলীলা বিষয়ক গীতি কবিতার সংকলন, কোনো একক অনূদিত গ্রন্থ বা ভাগবতের নাম নয়। D) শ্রীকৃষ্ণবিজয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ মালাধর বসু ভাগবত অনুবাদ করে এই নামকরণ করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মালাধর বসু মানেই ভাগবতের অনুবাদ এবং তাঁর উপাধি সত্যরাজ খাঁ। শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যটি শ্রীমদ্ভগবতের দশম ও একাদশ স্কন্ধের ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রামাণিক অনুবাদক হলেন মালাধর বসু। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মালাধর বসু কোন গ্রন্থ অনুবাদ করেন বা তাঁর উপাধি কী ছিল।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0