প্রশ্নের বর্ণনা

a ষড়+ঋতু
b ষড়–+ঋতু
c ষট+ঋত
d ষট্+ঋতু
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ষট্+ঋতু ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী পদের অন্তস্থিত অঘোষ আল্পপ্রাণ ধ্বনির পরে স্বরধ্বনি থাকলে তা ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। এখানে 'ষট্' শব্দের ট-এর পরে 'ঋতু' শব্দের ঋ-স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ট ধ্বনিটি ড-তে পরিণত হয়েছে এবং ঋ-কার যুক্ত হয়ে ড্রি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম যেখানে বর্গের প্রথম ধ্বনির পরে স্বরধ্বনি থাকলে তা সেই বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। যেমন ট বর্গের প্রথম ধ্বনি ট এবং এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে ড হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জগৎ + ঈশ = জগদীশ ব্যাখ্যা: প্রথম পদের ত-কারের পরে স্বরধ্বনি ই থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে দ হয়েছে। উদাহরণ ২: সুপ + অন্ত = সুবান্ত ব্যাখ্যা: প্রথম পদের প-কারের পরে স্বরধ্বনি অ থাকায় প পরিবর্তিত হয়ে ব হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষড়+ঋতু — এই অপশনে সন্ধির মূল নিয়মানুযায়ী প্রথম পদে হস্-চিহ্ন বা সঠিক মূল শব্দ 'ষট্' ব্যবহার করা হয়নি। B) ষড়–+ঋতু — এই অপশনে অপ্রয়োজনীয় হাইফেন ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) ষট+ঋত — এই অপশনে দ্বিতীয় শব্দের বানান 'ঋত' লেখা হয়েছে কিন্তু সঠিক শব্দটি হবে 'ঋতু'। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শেষের শব্দটির সঠিক রূপ মনে রাখতে হবে যে এটি 'ঋতু' হবে, 'ঋত' নয়। ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে বর্গের প্রথম বর্ণের নিচে হস্-চিহ্ন থাকা আবশ্যক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে। বর্গের প্রথম বর্ণের সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনের এই নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0