প্রশ্নের বর্ণনা

a উপমিত
b উপমান
c রূপক
d ষষ্ঠী তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রূপক ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরে ভুল রয়েছে। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'ফুলকুমারী' শব্দটি রূপক কর্মধারয় সমাসের নয়, এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। - প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তর রূপক হলেও সঠিক ব্যাকরণিক নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর হবে উপমিত কর্মধারয় সমাস। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়, তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে এবং এতে সাধারণত ব্যাসবাক্যে রূপ শব্দটি থাকে। - কিন্তু যে সমাসে সাধারণ ধর্ম উল্লেখ না করে উপমেয়কে উপমানের সঙ্গে তুলনা করা হয় এবং উপমেয় পদটি পূর্বে বসে, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। - 'ফুলকুমারী' শব্দের ব্যাসবাক্য হলো ফুল রূপ কুমারী নয়, বরং কুমারী ফুলের মতো, তাই এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুখচন্দ্র ব্যাখ্যা: চন্দ্রের ন্যায় মুখ, এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কারণ মুখকে চাঁদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পুরুষসিংহ ব্যাখ্যা: সিংহের ন্যায় পুরুষ, এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস কারণ পুরুষকে সিংহের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপমিত — সঠিক উত্তর এটিই হওয়া উচিত ছিল, কারণ এখানে কুমারীকে ফুলের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। B) উপমান — উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদ থাকে এবং উপমান পদটি পূর্বে বসে, যা এখানে অনুপস্থিত। C) রূপক — রূপক কর্মধারয় সমাসে অভেদ কল্পনা করা হয়, কিন্তু ফুল ও কুমারী এক নয়, এদের মধ্যে তুলনা করা হয়েছে। D) ষষ্ঠী তৎপুরুষ — ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে ষষ্ঠী বিভক্তির লোপ পায়, কিন্তু এখানে সম্বন্ধ পদ বা বিভক্তির সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - তুলনা বোঝাতে এবং সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকলে উপমিত কর্মধারয় সমাস হয়। - ব্যাসবাক্যের শেষে ন্যায় শব্দটি থাকলে সাধারণত উপমিত কর্মধারয় সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপমিত কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদটি প্রথমে বসে এবং উপমান পদটি পরে বসে। - একই নিয়মে সিংহপুরুষ, পুরুষসিংহ, চন্দ্রমুখ ইত্যাদি শব্দগুলোও উপমিত কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0