প্রশ্নের বর্ণনা

a অব্যয়
b নির্দেশক সর্বনাম
c পদাশ্রিত নির্দেশক
d সংখ্যাবাচক বিশেষণ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পদাশ্রিত নির্দেশক ১. কেন সঠিক: যেসব শব্দ বা শব্দাংশ স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত না হয়ে কোনো পদের পরে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা, বচন বা পরিমাণ বোঝায়, সেগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলা হয়। 'টা', 'টি', 'টো', 'টুকুন' ইত্যাদি শব্দাংশ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে নির্দিষ্ট করে দেয় বলেই এগুলো পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: পদাশ্রিত নির্দেশক মূলত নির্দেশক সর্বনাম বা পদের আশ্রয় নিয়ে গঠিত হয়। বাংলা ব্যাকরণে নির্দিষ্টতা বোঝাতে টা, টি, খানা, খানি, টুকুন, টুকু ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। এগুলো কখনো শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে বচন বা নির্দিষ্টতা প্রকাশ করে এবং বাক্যের অর্থকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বইটি আমাকে দাও। ব্যাখ্যা: এখানে বই বিশেষ্যের সাথে 'টি' যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি বইকে বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: একটুকুন দুধ দাও। ব্যাখ্যা: এখানে দুধের পরিমাণের সাথে 'টুকুন' যুক্ত হয়ে অল্প পরিমাণ নির্দিষ্ট করে বোঝাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয় — অব্যয় হলো এমন পদ যার কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর হয় না, কিন্তু পদাশ্রিত নির্দেশক পদের সাথে যুক্ত হয়ে পরিবর্তিত হতে পারে। B) নির্দেশক সর্বনাম — নির্দেশক সর্বনাম হলো যা দূর বা কাছের বস্তু নির্দেশ করে যেমন এটি, ওটি, কিন্তু টা, টি স্বাধীন সর্বনাম নয়। D) সংখ্যাবাচক বিশেষণ — সংখ্যাবাচক বিশেষণ সরাসরি সংখ্যা বা গণনা বোঝায়, কিন্তু পদাশ্রিত নির্দেশক শুধু নির্দিষ্টতা বা বচন প্রকাশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে বসে যা নির্দিষ্ট করে দেয়, সেটাই পদাশ্রিত নির্দেশক। টা, টি, খানা, খানি দেখলেই পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে চিনে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পদাশ্রিত নির্দেশকগুলো সবসময় শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বসে। বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন পদটি কোন ধরনের নির্দেশক তা শনাক্ত করতে বলা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0