প্রশ্নের বর্ণনা

a কৃৎ প্রত্যয়
b তদ্ধিত প্রত্যয়
c বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
d সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তদ্ধিত প্রত্যয় ১. কেন সঠিক: - তদ্ধিত প্রত্যয় হলো সেই প্রত্যয় যা কোনো নামশব্দ বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। - প্রশ্ন প্রদত্ত প্রচুর একটি বিশেষণবাচক নামশব্দ, যার সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রাচুর্য ভাববাচক বিশেষ্য পদ গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রাতিপদিক বা নামপ্রকৃতির সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে এবং কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় ক্রিয়ামূলের সঙ্গে। - প্রচুর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় আদিস্বর পরিবর্তিত হয়ে দীর্ঘ স্বর রূপ ধারণ করে এবং নতুন শব্দ তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দর + য = সৌন্দর্য ব্যাখ্যা: সুন্দর নামশব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য সৌন্দর্য গঠিত হয়েছে, যা তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ। উদাহরণ ২: মধুর + য = মাধুর্য ব্যাখ্যা: মধুর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মাধুর্য শব্দ তৈরি হয়েছে, যা তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়ম অনুসরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃৎ প্রত্যয় — কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় ক্রিয়ামূলের সঙ্গে, কিন্তু প্রচুর কোনো ক্রিয়ামূল নয় বরং একটি নামশব্দ। B) তদ্ধিত প্রত্যয় — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি নামশব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। C) বাংলা কৃৎ প্রত্যয় — প্রচুর শব্দ বা য প্রত্যয় কোনোটিই খাঁটি বাংলা শব্দ বা বাংলা কৃৎ প্রত্যয়ের আওতাভুক্ত নয়। D) সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় — প্রাচুর্য শব্দটি সংস্কৃত শব্দ থেকে আগত হলেও এর প্রত্যয়টি তদ্ধিত প্রত্যয়ের অন্তর্ভুক্ত, কৃৎ প্রত্যয় নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নামশব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে তদ্ধিত প্রত্যয় এবং ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হলে কৃৎ প্রত্যয় হয় তা মনে রাখবে। - প্রাচুর্য বা সৌন্দর্য জাতীয় শব্দের শেষে য দেখলে সাধারণত তা তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে গণ্য করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত ও কৃৎ প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - শব্দটির প্রকৃতি নামশব্দ নাকি ক্রিয়ামূল তা শনাক্ত করতে পারলে সঠিক প্রত্যয় সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0