প্রশ্নের বর্ণনা

a উপন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী
b দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
c সুকুমার রায়
d সত্যজিৎ রায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুকুমার রায় ১. কেন সঠিক: - ‘আবোল-তাবোল’ হলো বাংলা সাহিত্যের ননসেন্স ভার্স বা খামখেয়ালী রসাত্মক কবিতার এক অনন্য ও অবিস্মরণীয় সংকলন। - বাংলা শিশুসাহিত্যে এই ধারার শ্রেষ্ঠ প্রবক্তা সুকুমার রায় অত্যন্ত মুনশিয়ানার সঙ্গে এই গ্রন্থটির কবিতা ও স্কেচগুলো রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুকুমার রায় বাংলা শিশুসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি প্রখ্যাত সাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরীর পুত্র এবং সত্যজিৎ রায়ের পিতা। - তাঁর লেখা ‘আবোল-তাবোল’ গ্রন্থটি মূলত বিচিত্র চরিত্র, হাস্যরস ও অসম্ভব কল্পনার মিশেলে তৈরি কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হজবরল ব্যাখ্যা: এটি সুকুমার রায় রচিত আরেকটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় শিশুতোষ nonsensical গল্প বা উপন্যাসিকা। উদাহরণ ২: পাগলা দাশু ব্যাখ্যা: সুকুমার রায় রচিত এই ছোটগল্প সংকলনটি বাংলা শিশুসাহিত্যের জগতে অত্যন্ত হাসির ও শিক্ষণীয় একটি সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী — তিনি সুকুমার রায়ের পিতা এবং প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, তবে ‘আবোল-তাবোল’ তাঁর নিজের লেখা নয়। B) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার — তিনি বাংলার লোকসাহিত্য ও রূপকথা সংকলনের জন্য বিখ্যাত, যেমন ‘ঠাকুমার ঝুলি’, তবে তিনি এই বইটির লেখক নন। C) সুকুমার রায় — এটি সঠিক উত্তর। D) সত্যজিৎ রায় — তিনি সুকুমার রায়ের পুত্র এবং বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সাহিত্যিক, তবে এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ‘আবোল-তাবোল’ শুনলেই মাথায় আনতে হবে অবাস্তব ও মজার চরিত্র যেমন হাঁতিঘোড়া বা বম্বাগড়ের রাজা, যার স্রষ্টা সুকুমার রায়। - সুকুমার রায়ের অমর সৃষ্টি মনে রাখার সহজ সূত্র হলো তাঁর বিখ্যাত বইগুলোর নাম যেমন আবোল-তাবোল, হজবরল ও খাই খাই একসঙ্গে মনে রাখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুকুমার রায়ের ছড়া ও শিশুসাহিত্য সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ননসেন্স ভার্স বা খামখেয়ালী কবিতার স্রষ্টা হিসেবে সুকুমার রায়ের নাম সব সময় মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0