প্রশ্নের বর্ণনা

a বিহারীলাল চক্রবর্তী
b সমরেশ বসু
c প্রেমাঙ্কুর অতর্থী
d সত্যেন বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমরেশ বসু ১. কেন সঠিক: - ‘কালকুট’ ছদ্মনামে লিখতেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ বসু। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে এবং এই ছদ্মনামটি তাঁর সাহিত্যকর্মে গভীর তাৎপর্য বহন করে। - ‘কালকুট’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো গরল বা বিষ। বিশেষ করে তাঁর আত্মজৈবনিক ও ভ্রমণভিত্তিক উপন্যাসগুলোতে এই ছদ্মনামের সার্থক প্রয়োগ দেখা যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমরেশ বসু বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম প্রধান শক্তিশালী লেখক। তাঁর জন্ম ১৯২৪ সালে এবং মৃত্যু ১৯৮৮ সালে। - তিনি ‘কালকুট’ ছদ্মনামে বিভিন্ন সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস রচনা করেছেন। তাঁর এই নাম গ্রহণের পেছনে লেখকের নিজস্ব জীবনদর্শন ও সমাজের তীব্র বাস্তবতার প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমরেশ বসুর কালকুট ছদ্মনামে লেখা বিখ্যাত উপন্যাস ‘অমৃতের নাগাসীন’। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি লেখকের সাহিত্যিক মুন্সিয়ানা ও সমাজদর্শনের এক অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: সমরেশ বসুর আরেকটি বিখ্যাত কালকুট ছদ্মনামের উপন্যাস ‘কোথায় পাব তারে’। ব্যাখ্যা: এই রচনাটিতেও লেখকের ভ্রমণপিপাসা ও মানবজীবনের গভীর অনুসন্ধান ফুফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিহারীলাল চক্রবর্তী — ইনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি ছিলেন এবং তিনি কোনো ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন না। B) সমরেশ বসু — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রশ্নানুসারে সঠিক হিসেবে গণ্য। C) প্রেমাঙ্কুর অতর্থী — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র পরিচালক ছিলেন এবং তিনি ‘মহামায়া’ ছদ্মনামে লিখতেন। D) সত্যেন বসু — ইনি একজন বিশিষ্ট বাঙালি বিজ্ঞানী ছিলেন, সাহিত্যিক বা ছদ্মনামধারী লেখক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমরেশ বসুর ‘স’ দিয়ে শুরু নামের সাথে ‘কালকুট’ ছদ্মনামটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - বিষ বা কালকুট সহ্য করে যিনি সাহিত্য রচনা করেছেন, তিনিই সমরেশ বসু। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম প্রায়ই আসে। - বাংলা সাহিত্যের অন্যান্য বিখ্যাত ছদ্মনাম যেমন বনফুল, বীরবল ও টেকচাঁদ ঠাকুর সম্পর্কেও ধারণা রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0