প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b মীর মশাররফ হোসেন
c ইসমাইল হোসেন সিরাজী
d সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: - মীর মশাররফ হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে গাজী মিয়া ব্যবহার করেছেন। - তাঁর বিখ্যাত সামাজিক ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা গাজী মিয়ার বস্তরানি বইটিতে তিনি এই ছদ্মনাম ব্যবহার করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - বিষাদ সিন্ধু তাঁর অমর সৃষ্টি হলেও তাঁর ব্যঙ্গাত্মক রচনার মধ্যে গাজী মিয়ার বস্তরানি অত্যন্ত জনপ্রিয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের লেখা সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে রচিত মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি, যিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর ছদ্মনাম ছিল ব্যাঙ্গাত্মক লেখার ক্ষেত্রে ধূমকেতু বা বেদুইন। B) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গাজী মিয়া ছদ্মনামে গাজী মিয়ার বস্তরানি রচনা লিখেছেন। C) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন, যিনি রায়নার উৎসব ও তাওয়ারিখ মতো গ্রন্থ লিখেছেন কিন্তু গাজী মিয়া নামে পরিচিত নন। D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন ছান্দসিক কবি এবং তাঁকে ছন্দের জাদুকর বলা হয়, গাজী মিয়া তাঁর ছদ্মনাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মীর মশাররফ হোসেনের ব্যঙ্গাত্মক রূপ মনে রাখতে 'মীর' ও 'মিয়া' শব্দ দুটি মেলানো যেতে পারে। - গাজী মিয়ার বস্তরানি বইটির নাম দেখলে লেখক হিসেবে মীর মশাররফ হোসেনকে সহজেই মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক ও তাঁদের ছদ্মনাম প্রায়ই আসে। - মীর মশাররফ হোসেনের অন্যান্য ছদ্মনাম বা তাঁর বিখ্যাত নাটক ও উপন্যাসের নাম ভালোভাবে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0