প্রশ্নের বর্ণনা

a সম্ + ধি
b সম + ধি
c সম + ন্বিধ
d সন + ধি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সম + ধি ১. কেন সঠিক: সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। এখানে 'সম' উপসর্গ বা পদ এবং 'ধি' প্রত্যয়যুক্ত শব্দ মিলে 'সন্ধি' শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। ব্যঞ্জনবর্ণের পর ম্ (ম) থাকলে এবং তার পরে স্পর্শধ্বনি বা বর্গীয় ধ্বনি থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়। সং + ধি = সন্ধি এই নিয়মে সম্ এর ম স্থানে অনুস্বার হয়ে সন্ধি গঠিত হয়, তবে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এটি 'সম + ধি' হিসেবেও স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম + তাপ = সন্তাপ ব্যাখ্যা: ম এর পরে ত বর্গীয় ধ্বনি থাকায় ম স্থানে অনুস্বার হয়েছে। উদাহরণ ২: সম + মান = সম্মান ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনসন্ধির আরেকটি সাধারণ নিয়ম যা একই প্রক্রিয়ায় সাধিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্ + ধি — এখানে ম এর নিচে হসন্ত রয়েছে যা প্রমিত সাধারণ অপশনে অনেক সময় এড়িয়ে যাওয়া হয়, তবে মূল ব্যাকরণগত বিচ্ছেদে এটি সঠিক হলেও প্রশ্নে বি-অপশনকে প্রমিত ধরা হয়েছে। C) সম + ন্বিধ — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। D) সন + ধি — এখানে মূর্ধন্য ন যুক্ত করা হয়েছে যা সন্ধি শব্দের গঠনের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি শব্দের বিচ্ছেদ মনে রাখতে হবে যে এটি সম এবং ধি এর যোগে গঠিত হয়। ম এর স্থানে অনুস্বার হয় এই নিয়মটি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ বা ব্যঞ্জনসন্ধির এই ব্যতিক্রমী নিয়মগুলো প্রায়ই আসে। তাই ম্ এর পরিবর্তে অনুস্বার ব্যবহারের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0