প্রশ্নের বর্ণনা

a চতুর্দশ
b পঞ্চদশ
c ষোড়শ
d সপ্তদশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চদশ ১. কেন সঠিক: শাহ মুহম্মদ সগীর প্রাচীন ও মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং তিনি সুলতানি আমলের প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃত। তাঁর অমর সৃষ্টি 'ইউসুফ জলেখা' কাব্য পঞ্চদশ শতকে (গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে) রচিত ও বিকাশ লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের (বিশেষ করে অন্ধকার যুগের বা প্রাক-চৈতন্য যুগের) একজন প্রথিতযশা কবি। গৌর বা বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের (১৪৯৩ থেকে ১৪১০ খ্রিষ্টাব্দ) পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি ইউসুফ জলেখা কাব্য রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউসুফ জলেখা ব্যাখ্যা: এটি শাহ মুহম্মদ সগীরের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বিখ্যাত প্রণয়কাব্য যা পঞ্চদশ শতকের সাহিত্যধারার এক অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত এই কাব্যটিও বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শনগুলোর একটি এবং এর রচনার সময়কাল নিয়ে ঐতিহাসিক বিতর্ক রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চতুর্দশ — এই শতকে বাংলার মুসলিম সাহিত্য সাধনা বা সুলতানি আমলের সাহিত্যিক বিকাশ শুরু হয়নি। B) পঞ্চদশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শাহ মুহম্মদ সগীরের কবি প্রতিভা ও সাহিত্যকর্ম এই শতকেই পুর্ণতা লাভ করে। C) ষোড়শ — এই শতকে শ্রীচৈতন্যদেব ও তাঁর অনুসারী বৈষ্ণব পদকর্তা এবং মঙ্গলকাব্যের কবিরা বেশি পরিচিতি লাভ করেন। D) সপ্তদশ — এই শতকে মধ্যযুগের মধ্যভাগ বা আরাকান রাজসভার সাহিত্যিকদের (যেমন আলাওল) প্রভাব বেশি ছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: শাহ মুহম্মদ সগীর মানেই পঞ্চদশ শতক এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য ইউসুফ জলেখা। সুলতানি আমলের প্রথম কবি হিসেবে মনে রাখলে শতক নির্ণয় করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের প্রথম কবি এবং ইউসুফ জলেখার রচয়িতা সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কবির পৃষ্ঠপোষক সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের নাম মনে রাখলে যুগ ও শতক সহজে মেলানো যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0