প্রশ্নের বর্ণনা

a খেয়ার ঘাট
b খেয়া ও ঘাট
c খেয়ার নিমিত্ত ঘাট
d সবগুলো ঠিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খেয়ার ঘাট ১. কেন সঠিক: - এখানে খেয়া পারাপারের উদ্দেশ্যে নির্মিত বা সম্পর্কিত ঘাট বোঝানো হয়েছে, যা সম্বন্ধ পদে রূপ নেয়। - সমস্তপদের সমস্যমান পদ দুটির মধ্যে সম্বন্ধ বোঝাতে ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস ব্যবহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - পূর্বপদে ষষ্টি বিভক্তির (র, এর) প্রয়োগ এবং তার লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাকে ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজার পুত্র = রাজপুত্র ব্যাখ্যা: এখানে ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস সাধিত হয়েছে যেখানে পূর্বপদের র বিভক্তি লোপ পেয়েছে। উদাহরণ ২: চায়ের বাগান = চা-বাগান ব্যাখ্যা: এটিও ষষ্টি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে সম্বন্ধ পদ প্রধান হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খেয়ার ঘাট — এটি সঠিক কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী ষষ্টি তৎপুরুষ সমাসের সঠিক ব্যাসবাক্য। B) খেয়া ও ঘাট — এটি ভুল কারণ দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে এবং ও দ্বারা যুক্ত হয়। C) খেয়ার নিমিত্ত ঘাট — এটি ভুল কারণ নিমিত্ত অর্থে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সবগুলো ঠিক — এটি ভুল কারণ শুধু অপশন এ সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো পদের মাঝে র বা এর বিভক্তি থাকলে এবং তা দিয়ে সম্বন্ধ বোঝালে সাধারণত ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস হয়। - ব্যাসবাক্য করার সময় মাঝখানে র বা এর যুক্ত করে সমাস নির্ণয় করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাসের নির্ণয় প্রায়ই আসে, তাই বিভক্তির ব্যবহার ভালো করে খেয়াল করতে হবে। - সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ এবং সম্পর্কের দিকটি সবার আগে বিবেচনা করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0