প্রশ্নের বর্ণনা

a প্যারীচাঁদ মিত্র
b কালিপ্রসন্ন সিংহ
c নীহারঞ্জন গুপ্ত
d সমরেশ বসু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমরেশ বসু ১. কেন সঠিক: 'কালকূট' হলো বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ বসুর ছদ্মনাম। তিনি মূলত এই ছদ্মনামে বাংলা সাহিত্যে বেশ কিছু মননশীল, জীবনধর্মী ও সমাজসচেতন উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমরেশ বসু আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম প্রধান লেখক যিনি প্রধানত কালকূট ছদ্মনামে আত্মশুদ্ধি ও মানবতাবাদী উপন্যাস লিখেছেন। তাঁর বিখ্যাত কালকূট ছদ্মনামে রচিত উপন্যাসের মধ্যে অমৃতকুম্ভের সন্ধানে ও সুমদ্রের নীল প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের সুপরিচিত ছদ্মনাম। উদাহরণ ২: বীরবল ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত ছদ্মনাম যা তিনি মূলত সবুজপত্র পত্রিকায় লেখার সময় ব্যবহার করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারীচাঁদ মিত্র — এই লেখক টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে আলালের ঘরের দুলাল নামক প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস রচনা করেছিলেন। B) কালিপ্রসন্ন সিংহ — তিনি হুতোম প্যাঁচা ছদ্মনামে হুতোম প্যাঁচার নকশা নামক বিখ্যাত সমাজসচেতন গ্রন্থ রচনা করেন। C) নীহারঞ্জন গুপ্ত — ইনি মূলত বানভট্ট ছদ্মনামে গোয়েন্দা কাহিনী ও রহস্য উপন্যাস লিখে বাংলা সাহিত্যে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। D) সমরেশ বসু — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি কালকূট ছদ্মনামে তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মসমূহ লিখেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: কালকূট নামটি সমরেশ বসুর সাথে মনে রাখতে বসা এবং কূট শব্দ দুটিকে একসাথে ভাবলে সহজে মনে রাখা যায়। সমরেশ বসু জীবনের গভীরে গিয়ে এই ছদ্মনামে কলম ধরেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের বনফুল এবং প্রমথ চৌধুরীর বীরবল ছদ্মনামগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। লেখকের আসল নামের সাথে ছদ্মনামের এই মিলগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0