প্রশ্নের বর্ণনা

a পরপদ
b উওরপদ
c পূর্বপদ
d সমস্তপদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পূর্বপদ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্ন ও সঠিক উত্তরটিতে একটি ব্যাকরণগত ত্রুটি রয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দ্বিগু সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, পূর্বপদের নয়। তবে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী এখানে সঠিক উত্তর সি অর্থাৎ পূর্বপদ হিসেবে ব্যাখ্যা দেওয়া হলো। - সমাসবদ্ধ পদে সাধারণত কোন পদের অর্থ প্রধান পাবে তার ওপর ভিত্তি করে সমাসের নামকরণ ও শ্রেণিবিভাগ করা হয়। দ্বিগু সমাসের ক্ষেত্রে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং সমাহার বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন হয় এবং সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী দ্বিগু সমাসে পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়। - কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ রূপ হলো দ্বিগু সমাস, যেখানে পূর্বপদটি সবসময় সংখ্যাবাচক বিশেষণ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল ব্যাখ্যা: এখানে ত্রিকাল শব্দটিতে কাল শব্দের অর্থ প্রধানভাবে বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী ব্যাখ্যা: এখানে অব্দ বা বছর শব্দের অর্থ প্রধান হয়ে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরপদ — এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলেও প্রশ্নের প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এখানে ভুল ধরা হয়েছে। দ্বিগু সমাসে মূলত পরপদের অর্থই প্রধান থাকে। B) উত্তরপদ — উত্তরপদ এবং পরপদ মূলত একই অর্থ প্রকাশ করে, যা দ্বিগু সমাসের প্রকৃত প্রধান পদ। C) পূর্বপদ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হলেও ব্যাকরণগতভাবে দ্বিগু সমাসে পূর্বপদ নয়, বরং পরপদের অর্থ প্রধান হয়। D) সমস্তপদ — সমাসের প্রক্রিয়ায় তৈরি হওয়া নতুন পদকে সমস্তপদ বলে, এটি কোনো একক পদের অর্থপ্রধান নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বিগু সমাসের ক্ষেত্রে মনে রাখবে এটি মূলত এক ধরনের কর্মধারয় সমাস। কর্মধারয় সমাসের মতো দ্বিগু সমাসেও পরপদের অর্থই প্রধান হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থপ্রধান বিষয়টি খুব ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে কর্মধারয় ও দ্বিগু সমাসের ক্ষেত্রে পরপদের অর্থ প্রধান হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0