প্রশ্নের বর্ণনা

a মালা
b মণ্ডলী
c কুল
d সমাজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মালা ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে বচন নির্ধারণের ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ প্রত্যয় কেবল অপ্রাণিবাচক বা জড় পদার্থের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। মালা প্রত্যয়টি কেবল অপ্রাণিবাচক শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বহুবচন প্রকাশ করে, যেমনটি অন্য প্রাণিবাচক শব্দের বেলায় ঘটে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে পদের সংখ্যা বা বহুত্ব বোঝাতে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে বচনবাচক শব্দ বা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়। অপ্রাণিবাচক বহুবচনে আবলি, গুচ্ছ, দাম, পুঞ্জ, থোকা, মালা ইত্যাদি প্রত্যয় ও সমষ্টিবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কমলাপুষ্পমালা ব্যাখ্যা: এখানে মালা প্রত্যয়টি অপ্রাণিবাচক পুষ্প বা ফুলের বহুবচন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: পর্বতমালা ব্যাখ্যা: পর্বত একটি অপ্রাণিবাচক ও জড় বস্তু, যার বহুবচন গঠনে মালা প্রত্যয়টি সফলভাবে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালা - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কেবল অপ্রাণিবাচক বহুবচনের প্রত্যয় হিসেবে ব্যাকরণে স্বীকৃত। B) মণ্ডলী - এটি প্রাণিবাচক বা ব্যক্তিবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়, যেমন শিক্ষকমণ্ডলী। C) কুল - এটি মূলত প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক উভয় শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হতে পারে, যেমন পক্ষীকুল। D) সমাজ - এটি মানবজাতি বা প্রাণিবাচক অপ্রাণিবাচক বিভিন্ন সমষ্টি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কেবল অপ্রাণিবাচক নির্দিষ্ট নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচন মনে রাখতে পাহাড়ি নদীর নাম বা ফুলের মালার কথা ভাবতে পারো। পর্বতমালা ও পুষ্পমালা শব্দ দুটি মনে রাখলে মালা প্রত্যয়ের ব্যবহার সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন প্রত্যয়টি প্রাণিবাচক আর কোনটি অপ্রাণিবাচক তা নিয়ে প্রশ্ন আসে। তাই বিশেষ্য পদের প্রকৃতি বুঝে বচনবাচক প্রত্যয় ও সমষ্টিবাচক শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0