প্রশ্নের বর্ণনা

a পানি
b মিছিল
c নদী
d সমাজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নদী ১. কেন সঠিক: - জাতিবাচক বিশেষ্য বলতে সেই বিশেষ্য পদকে বোঝায় যা কোনো একজাতীয় ব্যক্তি, প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম প্রকাশ করে। - 'নদী' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট একটি নদীকে না বুঝিয়ে সমগ্র পৃথিবীর সমস্ত নদীকে প্রাকৃতিকভাবে একজাতীয় বোঝায়, তাই এটি জাতিবাচক বিশেষ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকারের হয়, যার মধ্যে জাতিবাচক বিশেষ্য অন্যতম। - যে বিশেষ্য পদ কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে একজাতীয় সামগ্রিক সত্তাকে বোঝায়, তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষ ব্যাখ্যা: 'মানুষ' শব্দটি পৃথিবীর সব মানুষকে একসঙ্গে একটি নির্দিষ্ট প্রজাতি হিসেবে বোঝায়, যা জাতিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ। উদাহরণ ২: পর্বত ব্যাখ্যা: 'পর্বত' বললে নির্দিষ্ট কোনো পাহাড় বা পর্বতকে না বুঝিয়ে পৃথিবীর সকল পর্বতকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানি — এটি বস্তুবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ কারণ এটি পরিমাপ করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না। B) মিছিল — এটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ কারণ এটি অনেকগুলো মানুষের একত্রে সমাবেশ বা সমষ্টি বোঝায়। C) নদী — এটি সঠিক উত্তর। D) সমাজ — এটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ কারণ এটি মানুষের একটি সংঘবদ্ধ জনগোষ্ঠী বা সমষ্টি বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে নামটির একটি সাধারণ রূপের অনেকগুলো আলাদা ব্যক্তিকেন্দ্রিক বা বস্তুকেন্দ্রিক অস্তিত্ব থাকে এবং যা দেখে একটি পুরো শ্রেণle বোঝায়, সেটাই জাতিবাচক বিশেষ্য। - নদী, মানুষ, পাখি, গাছ ইত্যাদি হলো জাতিবাচক বিশেষ্যের সহজ নিদর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বস্তুবাচক এবং জাতিবাচক বিশেষ্যের মধ্যে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তাই কোনটি গণনা করা যায় এবং কোনটি যায় না তা খেয়াল রাখতে হবে। - নির্দিষ্ট নাম হলে নামবাচক এবং সাধারণ শ্রেণি হলে জাতিবাচক বিশেষ্য হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0