প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বিগু কর্মধারয়
b সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি
c অলুক বহুব্রীহি
d সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বিগু কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - সমাসের নিয়ম অনুযায়ী সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলনে যে সমাস হয় এবং যার মাধ্যমে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। - চৌরাস্তা শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো চারের রাস্তার সমাহার, যেখানে একটি সমবায় বা সমষ্টির ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিগু সমাস মূলত কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ রূপ, যেখানে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং সমাসবদ্ধ পদটি বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়। - এই সমাসে সমাহার বা মিলন অর্থ প্রকাশ পায় এবং উত্তরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তেমাথা ব্যাখ্যা: তিন মাথার সমাহার, যা দ্বিগু সমাসের নিয়মে গঠিত একটি সাধারণ শব্দ। উদাহরণ ২: শতাব্দী ব্যাখ্যা: শত অব্দের সমাহার, যা কালবাচক বা সংখ্যাবাচক অর্থে দ্বিগু সমাসের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগু কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সংখ্যাবাচক শব্দ ও সমাহার বোঝায়। B) সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে অন্য পদ প্রধান হয় না এবং পদটি বিশেষণ পদ হিসেবে কোনো তৃতীয় অর্থ প্রকাশ করে না। C) অলুক বহুব্রীহি — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বিভক্তির লোপ না পাওয়ার কোনো ব্যাপার নেই এবং এটি বহুব্রীহি সমাসের আওতাভুক্ত নয়। D) সমানাধিকরণ বহুব্রীহি — এই অপশনটি ভুল কারণ এর পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হলেও এটি কোনো তৃতীয় পদের অর্থ প্রকাশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংখ্যা দিয়ে শুরু হয়ে যদি শেষের শব্দটি সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস দাগাবে। - কর্মধারয়ের ভেতরেই দ্বিগু লুকিয়ে থাকে, তাই সমাহার শব্দ পেলে দ্বিগু নির্বাচন করবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাহার বোঝাতে দ্বিগু সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তেমাথা, চৌরাস্তা, ত্রিভুজ শব্দগুলো দ্বিগু সমাসের সবচেয়ে প্রচলিত উদাহরণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0