প্রশ্নের বর্ণনা

a সুলতানা
b রমণী
c রানী
d সম্রাজ্ঞী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রমণী ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দমালায় খাপ না খাওয়া শব্দটি হলো রমণী, কারণ এটি সাধারণ নারীর একটি সাধারণ বা সাধারণার্থবাচক শব্দ। - অন্যদিকে সুলতানা, রানী এবং সম্রাজ্ঞী শব্দগুলো বিশেষ কোনো রাজবংশ, পদমর্যাদা বা রাজকীয় অবস্থানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ ও শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী কিছু শব্দ সাধারণ জাতিবাচক বা ব্যক্তিবাচক হয় এবং কিছু শব্দ নির্দিষ্ট পদমর্যাদা নির্দেশ করে। - সুলতানা, রানী ও সম্রাজ্ঞী শব্দগুলো ক্ষমতা বা রাজপরিবারের নারী সদস্য নির্দেশক বিশেষ শব্দ, যা রমণী শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ শ্রেণি তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিক্ষক, অধ্যাপক, ডাক্তার, মানুষ ব্যাখ্যা: এখানে ডাক্তার পেশাবাচক হলেও অন্যগুলো সাধারণ বা অন্য কোনো বিশেষ ক্যাটাগরিতে পড়ে না, তবে সমজাতীয় শব্দে যেমন রাজা, প্রজা, মন্ত্রী—তেমনি এখানে রাজকীয় পদের বাইরে রমণী একটি সাধারণ শব্দ। উদাহরণ ২: বালক, কিশোর, যুবক, রাজকুমার ব্যাখ্যা: এখানে রাজকুমার রাজপরিবারের সদস্য নির্দেশ করে, যা সাধারণ বালক বা যুবকের চেয়ে আলাদা একটি মর্যাদাবাচক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুলতানা — এটি রাজপরিবারের নারী সদস্য বা বাদশাহর স্ত্রীর পদমর্যাদা নির্দেশক শব্দ, যা সাধারণ নারীর বাইরে একটি বিশেষ উপাধি। B) রমণী — এটি যেকোনো সাধারণ নারীকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর মধ্যে কোনো রাজকীয় বা বিশেষ পদের অর্থ যুক্ত নেই। C) রানী — এটি রাজার স্ত্রী বা রাজ্যশাসক নারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা একটি বিশেষ রাজকীয় পদমর্যাদা। D) সম্রাজ্ঞী — এটি সাম্রাজ্যের সর্বোচ্চ শাসক নারী বা সম্রাটের স্ত্রী বোঝায়, যা অত্যন্ত উচ্চ একটি রাজকীয় পদমর্যাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাধারণ শব্দ বনাম বিশেষ পদমর্যাদার শব্দ আলাদা করতে শব্দের পেছনের সামাজিক বা রাজনৈতিক তাৎপর্য খেয়াল করবে। - রাজকীয় উপাধিগুলো এক দলে এবং সাধারণ মানুষ বা সাধারণ নারীবাচক শব্দ অন্য দলে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এ ধরনের প্রশ্ন সাধারণত শব্দের অর্থগত বৈসাদৃশ্য বা অমিল নির্ণয়ের জন্য বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - অপশনগুলোর ভেতর সাধারণ ও বিশেষ অর্থের সম্পর্ক ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0