প্রশ্নের বর্ণনা

a ইলিয়াস শাহ
b শের শাহ
c সম্রাট আকবর
d সম্রাট সাজাহান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সম্রাট আকবর ১. কেন সঠিক: বাংলা নববর্ষ তথা বাংলা সন চালুর পেছনে মুঘল সম্রাট আকবরের নাম সরাসরি জড়িত। ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে ফসলি সনকে বাংলা সনে রূপান্তর করে তিনি এই বর্ষপঞ্জি প্রবর্তন করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি মূলত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস এবং বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে খাজনা বা কর আদلوের সুবিধার্থে এবং কৃষি কাজের হিসাব ঠিক রাখতে জ্যোতির্বিজ্ঞানী আমির ফাতিহ শিরাজী বাংলা সন প্রবর্তন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা সনের প্রথম মাস বৈশাখ। ব্যাখ্যা: সম্রাট আকবরের প্রবর্তित বাংলা সনের প্রথম মাস হিসেবে বৈশাখ মাস থেকেই নতুন বছরের হিসাব শুরু হয়। উদাহরণ ২: পহেলা বৈশাখ বাঙালির সর্বজনীন উৎসব। ব্যাখ্যা: সম্রাট আকবরের আমল থেকেই বাংলা সনের প্রথম দিনে হালখাতা ও উৎসব পালনের ঐতিহ্য চলে আসছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইলিয়াস শাহ — তিনি বাংলার স্বাধীন সুলতানি আমলের প্রতিষ্ঠাতা হলেও বাংলা সন চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত নন। B) শের শাহ — তিনি শের শাহ সুরি নামে পরিচিত এবং গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড ও মুদ্রা ব্যবস্থার সংস্কার করলেও বাংলা সন চালু করেননি। D) সম্রাট সাজাহান — তিনি সম্রাট আকবরের পৌত্র এবং তাঁর আমলেই বাংলা সনে কিছুটা সংস্কার এলেও তিনি এটি প্রথম চালু করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: আকবর মানেই বাংলা সনের আবিষ্কারক, কারণ ফসলি সন থেকে বাংলা সনে রূপান্তর করেছিলেন সম্রাট আকবর নিজেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সনের প্রবর্তক হিসেবে সম্রাট আকবরের নাম এবং এর পেছনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0