প্রশ্নের বর্ণনা

a তোমার গোপন কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয়
b দরিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা
c সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল
d সর্ব বিষয়ে বাহুল্যর্তা বর্জন করা উচিত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দরিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা ১. কেন সঠিক: বাক্যটিতে 'দরিদ্রতা' শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রমিত রূপে ব্যবহৃত হয়েছে। বিশেষ্য পদ গঠনে 'দরিদ্র' শব্দের সঙ্গে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক ভাববাচক বিশেষ্য গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাক্যশুদ্ধি ও পদ গঠন সম্পর্কিত একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদ গঠনের জন্য শব্দের শেষে 'তা' বা 'ত্ব' প্রত্যয় যুক্ত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সততা মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ। ব্যাখ্যা: এখানে 'সৎ' শব্দের সঙ্গে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বিশেষ্য পদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের মধ্যে মৈত্রী ও একতা থাকা জরুরি। ব্যাখ্যা: এখানে 'এক' শব্দের সঙ্গে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শুদ্ধ ভাববাচক বিশেষ্য গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তোমার গোপন কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয় — 'গোপন কথা' না লিখে 'গোপনীয় কথা' লেখা উচিত কারণ কথাটি আগে থেকেই গোপন ছিল না, বরং প্রকাশ করা নিষেধ। B) দরিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই রূপটিই প্রমিত হিসেবে গণ্য হয়। C) সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল — 'সহাস্য' বা 'লজ্জা মিশ্রিত হাসি' বলা যায়, কিন্তু 'সলজ্জিত হাসি' একটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট প্রয়োগ। D) সর্ব বিষয়ে বাহুল্যর্তা বর্জন করা উচিত — 'বাহুল্য' এবং 'র্তা' বা 'তা' একসঙ্গে ব্যবহার করা দ্বিরুক্তি বা বাহুল্য দোষ, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: দরিদ্র শব্দের সঙ্গে সাধারণত 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করে 'দরিদ্রতা' লেখা ব্যাকরণসম্মত। পরীক্ষায় বহুবার আসা এই প্রশ্নটিতে 'দরিদ্রতা' এবং 'দারিদ্রে্য' এর মধ্যে পার্থক্য মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে একই অর্থে দুটি প্রত্যয় বা শব্দের ব্যবহার বাহুল্য দোষ হিসেবে গণ্য হয়। শুদ্ধ বাক্য নির্বাচনে শব্দের পুনরাবৃত্তি এবং প্রত্যয়জনিত ভুলগুলো ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0