প্রশ্নের বর্ণনা

a বিশেষণ
b ক্রিয়া বিশেষণ
c বিশেষ্য
d সর্বনাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - ‘লাজ’ একটি বিশেষ্য পদ কারণ এটি লজ্জা বা সংকোচ নামক একটি মৌলিক ভাব বা গুণকে নির্দেশ করে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে শব্দ কোনো নাম, গুণ, অবস্থা বা ভাবের নাম বোঝায় তাকে ভাববাচক বিশেষ্য বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব বা গুণের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। - ‘লাজ’ শব্দটি মূলত তৎসম শব্দ ‘লজ্জা’ থেকে উদ্ভূত একটি বিশেষ্য পদ যা মানুষের মনের বিশেষ অবস্থাকে প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার মুখে লাজ শোভা পাচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে ‘লাজ’ শব্দটি একটি গুণের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যা বিশেষ্য পদের কাজ করছে। উদাহরণ ২: ভয়ে তার মুখ শুকিয়ে গেল। ব্যাখ্যা: ‘ভয়’ শব্দের মতো ‘লাজ’ শব্দটিও একটি মানসিক ভাব প্রকাশ করে যা বিশেষ্য পদের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণ — বিশেষণ পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, কিন্তু ‘লাজ’ নিজে একটি নাম পদ। B) ক্রিয়া বিশেষণ — ক্রিয়া বিশেষণ পদের কাজ হলো ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান বা ভাব প্রকাশ করা, যা ‘লাজ’ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) বিশেষ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি মানসিক ভাব বা গুণের নাম বোঝাচ্ছে। D) সর্বনাম — সর্বনাম পদ বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ‘লাজ’ কোনো শব্দের পরিবর্তে বসে না বরং নিজেই একটি স্বাধীন নাম। ৫. মনে রাখার টিপস: - যা দ্বারা কোনো নাম, গুণ বা অনুভূতির প্রকাশ ঘটে তা সাধারণত বিশেষ্য পদ হয়। - লাজ, ভয়, ক্ষোভ, রাগ—এসব মনের ভাববাচক বিশেষ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভাববাচক বিশেষ্য শনাক্তকরণের প্রশ্ন আসে। - বিশেষ্য পদ চেনার জন্য শব্দের শেষে কোনো গুণের বা ভাবের প্রকাশ আছে কি না তা লক্ষ্য করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0