প্রশ্নের বর্ণনা

a সর্বঙ্গ + ঈন
b সর্ব + অঙ্গীন
c সর্ব + ঙ্গীন
d সর্বাঙ্গ + ঈন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সর্বাঙ্গ + ঈন ১. কেন সঠিক: - 'সর্বাঙ্গীন' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো সর্বাঙ্গ যোগ ঈন। এখানে সর্বাঙ্গ শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় ঈন যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো শব্দের শেষে ঈন প্রত্যয় যুক্ত হলে তা বিশেষ্য থেকে বিশেষণে রূপান্তর হয় এবং পূর্ণতা বা ব্যাপ্তি বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তদ্ধিত প্রত্যয় হলো প্রাতিপদিক বা নাম শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত নতুন শব্দ তৈরি করে। এখানে সর্বাঙ্গ একটি নাম শব্দ বা প্রাতিপদিক। - সর্বাঙ্গ শব্দের সঙ্গে ঈন প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় শব্দের অন্তস্থিত অ এবং ঈন এর ই মিলে একার বা পরিবর্তন সাধিত হয়ে সর্বাঙ্গীন রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুলীন ব্যাখ্যা: কুল যোগ ঈন মিলে কুলীন শব্দটি গঠিত হয়, যা তদ্ধিত প্রত্যয়ের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ। উদাহরণ ২: প্রাচীন ব্যাখ্যা: প্রাক যোগ ঈন মিলে প্রাচীন শব্দ গঠিত হয়, যা শব্দের আদি অবস্থা বা বিশেষণের রূপ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বঙ্গ + ঈন — সর্বঙ্গ বলে কোনো অর্থপূর্ণ মূল শব্দ বা প্রাতিপদিক বাংলা ব্যাকরণে নেই। B) সর্ব + অঙ্গীন — অঙ্গীন বলে কোনো প্রত্যয় বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত বা ব্যবহৃত হয় না। C) সর্ব + ঙ্গীন — ঙ্গীন কোনো প্রত্যয় নয় এবং শব্দের মূল গঠন প্রক্রিয়ার সঙ্গে এটি সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) সর্বাঙ্গ + ঈন — এটি সঠিক প্রত্যয় নির্ণয় পদ্ধতি কারণ সর্বাঙ্গ সম্পূর্ণ শব্দটির সঙ্গে ঈন প্রত্যয় যুক্ত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মূল শব্দটি আগে আলাদা করতে হবে। পূর্ণাঙ্গ শব্দের ক্ষেত্রে পুরো শব্দ অর্থাৎ সর্বাঙ্গ মূল হিসেবে গণ্য হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয়ের শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ঈন প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেমন সর্বাঙ্গীন, কুলীন, গ্রামীণ ভালো করে চর্চা করবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0