প্রশ্নের বর্ণনা

a সদৃশ
b এরকম
c তাদৃশ
d সাদৃশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তাদৃশ ১. কেন সঠিক: - ঈদৃশ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো তাদৃশ কারণ ঈদৃশ অর্থ এমন বা এই প্রকার এবং তাদৃশ অর্থ তেমন বা সেই প্রকার। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে সর্বনাম জাতীয় এই শব্দগুলোর পারস্পরিক রূপান্তর প্রায়ই আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংস্কৃত সর্বনাম মূলক বিশেষণ শব্দের ক্ষেত্রে এই রূপান্তরগুলো ব্যাকরণে বহুল ব্যবহৃত হয়। - ঈদৃশ শব্দের প্রমিত বাংলা রূপ হলো এমন বা এই রূপ এবং তাদৃশ শব্দের রূপ হলো তেমন বা সেই রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঈদৃশ অবস্থা কখনো কাম্য নয়। ব্যাখ্যা: এখানে ঈদৃশ শব্দটি এই প্রকার বা এমন অবস্থা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: তাদৃশ আচরণ তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিত ছিল। ব্যাখ্যা: এখানে তাদৃশ শব্দটি তেমন বা সেই রূপ আচরণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সদৃশ — সদৃশ শব্দের অর্থ অনুরূপ বা মিল আছে এমন, যা ঈদৃশ শব্দের বিপরীতার্থক নয়। B) এরকম — এরকম হলো চলিত রূপ, যা ঈদৃশ শব্দের সমার্থক হতে পারে কিন্তু সরাসরি বিপরীতার্থক নয়। D) সাদৃশ — সাদৃশ বলতে কোনো সঠিক প্রমিত শব্দ বোঝায় না, এটি মূলত সাদৃশ্য শব্দের অপপ্রয়োগ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঈ দিয়ে শুরু হলে এই রকম বা এমন বোঝায় এবং ত দিয়ে শুরু হলে সেই রকম বা তেমন বোঝায়। - ঈদৃশ ও তাদৃশ জোড়াটি বিপরীতার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি। - এই ধরনের শব্দ চয়ন পরীক্ষায় প্রায়ই অপশনে বিভ্রান্তি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0