প্রশ্নের বর্ণনা

a সাগর
b গান
c শোক
d সাহিত্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শোক ১. কেন সঠিক: - মর্সিয়া শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো শোক, বিলাপ কিংবা হাহাকার করা। - আরবি মারাসি শব্দ থেকে মর্সিয়া শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে। - কারাবাস বা শহীদদের স্মরণে রচিত শোকগাথা বা বিষাদময় কবিতাকে মর্সিয়া সাহিত্য বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মর্সিয়া বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা যা মূলত আরবি ও ফারসি সাহিত্য থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। - বাংলা সাহিত্যে কারবালার প্রান্তরের বিষাদময় ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই শোকগাথা রচিত হতো। - মধ্যযুগে এবং পরবর্তী সময়ে দৌলত উজির বাহরাম খান ও হায়াত মাহমুদ প্রমুখ কবি মর্সিয়া সাহিত্য রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহররম মাসের চাঁদ উঠলে মুসলমানরা কারবালার শোকস্মরণে মর্সিয়া গান গেয়ে থাকেন। ব্যাখ্যা: এটি মর্সিয়া সাহিত্য ও সংস্কৃতির সামাজিক প্রয়োগ বোঝায়। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসে কারবালার শোকাবহ ঘটনার বিবরণ রয়েছে। ব্যাখ্যা: এটি মর্সিয়া সাহিত্যের থিম বা ভাবধারার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি বিখ্যাত গদ্য সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাগর — সাগর বলতে বিশাল জলরাশি বোঝায়, যা মর্সিয়া শব্দের শোক বা বিলাপ অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। B) গান — মর্সিয়া গীত হতে পারে বা গাওয়া হয়, তবে শব্দের মূল আভিধানিক অর্থ গান নয় বরং শোক বা বিলাপ করা। D) সাহিত্য — সাহিত্য একটি ব্যাপক ধারণা, কিন্তু মর্সিয়া নির্দিষ্ট কোনো সাধারণ সাহিত্য নয় বরং এটি শোকগাথার একটি বিশেষ রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - মর্সিয়া শব্দটি শুনলেই মনে রাখবে কারবালার শোকের কথা। - মর থেকে মর্সিয়া মনে রাখতে পারো, যেখানে মরণের পর শোক প্রকাশ করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মর্সিয়া শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে। - এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের ইসলামিক বা পুথি সাহিত্য ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0