প্রশ্নের বর্ণনা

a ভাষার উৎকর্ষতা সাধন
b অর্থ প্রকাশ করা
c বক্তব্য বুঝিয়ে দেয়া
d সাহিত্য সৃষ্টি করা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বক্তব্য বুঝিয়ে দেয়া ১. কেন সঠিক: - ভাব-সম্প্রসারণের মূল উদ্দেশ্য হলো কোনো সংক্ষিপ্ত গূঢ় বা প্রতীকী ভাবকে স্পষ্ট ও বিস্তারিত করে মানুষের বোধগম্য করে তোলা। - এটি মূলত রচনার ভেতরের মূল বক্তব্য বা দর্শনকে সহজ ভাষায় পাঠকের কাছে ফুটিয়ে তোলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাব-সম্প্রসারণ হলো বাংলা সাহিত্য ও রচনা লিখন কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে প্রবাদ-প্রবচন বা কবিতার চরণের অন্তর্নিহিত অর্থ ব্যাখ্যা করা হয়। - এটি শিক্ষার্থীর মননশীলতা ও লেখার দক্ষতাকে প্রসারিত করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি। ব্যাখ্যা: এই প্রবাদটির ভাব-সম্প্রসারণে মানুষের জীবনে পরিশ্রমের গুরুত্ব এবং সফলতা অর্জনে এর ভূমিকার মূল বক্তব্যটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়। উদাহরণ ২: একতাই বল। ব্যাখ্যা: এই উক্তিটির ভাব-সম্প্রসারণে মিলনের শক্তি এবং সংঘবদ্ধভাবে কাজ করার সুফল সম্পর্কে মূল বক্তব্যটি স্পষ্ট করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষার উৎকর্ষতা সাধন — এটি সাহিত্যের সামগ্রিক লক্ষ্য হতে পারে, তবে নির্দিষ্টভাবে ভাব-সম্প্রসারণের প্রধান উদ্দেশ্য এটি নয়। B) অর্থ প্রকাশ করা — যেকোনো শব্দ বা বাক্যের সাধারণ কাজ হলো অর্থ প্রকাশ করা, কিন্তু ভাব-সম্প্রসারণের কাজ এর চেয়ে গভীর। D) সাহিত্য সৃষ্টি করা — ভাব-সম্প্রসারণ কোনো মৌলিক সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি করে না, বরং বিদ্যমান কোনো ভাবের ব্যাখ্যা মাত্র। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাব-সম্প্রসারণ মানেই হলো মূল বক্তব্যকে বুঝিয়ে দেওয়া বা পরিষ্কার করা। - সংক্ষেপে কোনো প্রবাদ থাকলে তার গভীর অর্থকে পাঠকের কাছে বোধগম্য করে তোলাই এর কাজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাব-সম্প্রসারণ লেখার সময় মূল ভাব বা অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে বুঝে তারপর তা নিজের ভাষায় বিস্তারিত লিখতে হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন আসলে সবসময় মূল বক্তব্য বা অর্থ পরিষ্কার করার বিষয়টিকে প্রাধান্য দিতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0