প্রশ্নের বর্ণনা

a চট্টগ্রাম
b যশোর
c ফরিদপুর
d সিলেট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিলেট ১. কেন সঠিক: - শ্রীচৈতন্যের পিতা জগন্নাথ মিশ্র মূলতঃ বর্তমান বাংলাদেশের সিলেট জেলার শ্রীহট্ট বা ঢাকাদক্ষিণ এলাকার অধিবাসী ছিলেন। - পরবর্তীকালে তিনি নদীয়া জেলার নবদ্বীপে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং সেখানেই শ্রীচৈতন্যের জন্ম হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীচৈতন্যদেব ছিলেন মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান প্রেরণা এবং গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মের প্রবক্তা। - তাঁর পৈতৃক নিবাস সিলেট অঞ্চলে হওয়ার কারণে বাঙালির সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে এই অঞ্চলের ঐতিহাসিক যোগসূত্র রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত ব্যাখ্যা: কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী রচিত এই মহাকাব্যে শ্রীচৈতন্যের জীবন ও তাঁর পূর্বপুরুষের সিলেট বা শ্রীহট্টের ঠিকানার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রীচৈতন্যভাগবত ব্যাখ্যা: বৃন্দাবন দাস ঠাকুর রচিত এই জীবনীগ্রন্থে শ্রীচৈতন্যের জন্ম, বংশপরিচয় এবং তাঁর পিতা জগন্নাথ মিশ্রের আদি নিবাসের বিবরণ পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এই অপশনটি ভুল কারণ শ্রীচৈতন্যের পিতা চট্টগ্রাম জেলার অধিবাসী ছিলেন না, তাঁর আদি নিবাস ছিল সিলেট অঞ্চলে। B) যশোর — এই অপশনটি ভুল কারণ শ্রীচৈতন্যের পরিবার যশোর অঞ্চলের সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে সম্পর্কিত নয়। C) ফরিদপুর — এই অপশনটি ভুল কারণ শ্রীচৈতন্যের বংশধর বা পিতার আদি নিবাস ফরিদপুর জেলায় ছিল না। D) সিলেট — এই অপশনটি সঠিক কারণ শ্রীচৈতন্যের পিতা সিলেটের ঢাকাদক্ষিণ এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - শ্রীচৈতন্যের পিতা সিলেটি ছিলেন, এটি মনে রাখার জন্য শ্রী চৈতন্য এবং সিলেট শব্দ দুটির প্রথম অক্ষর এস এস মিলিয়ে নিতে পারো। - মধ্যযুগের এই মহামানুষের আদি বাড়ি উত্তরপূর্বাঞ্চলের সিলেট জেলায় ছিল, এই তথ্যটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য মুখস্থ রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপ হলেও তাঁর পিতৃভিটা ছিল বাংলাদেশের সিলেটে, যা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - মধ্যযুগের কবি ও সাধকদের আদি নিবাস সম্পর্কিত প্রশ্ন সমাধানের সময় তাদের জন্মস্থান এবং বংশের মূল বসতি আলাদা করে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0