প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলামের
b বুদ্ধদের বসুর
c অমিয় চক্রবর্তীর
d সুকান্ত ভট্টাচার্যের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুকান্ত ভট্টাচার্যের ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পঙক্তিটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রগতিশীল ও কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'হে মহাজীবন' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - এখানে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যপীড়িত বাস্তব জীবনের নির্মম রূপ ফুটিয়ে তুলতে পূর্ণিমার চাঁদকে ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ঝলসানো রুটির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুকান্ত ভট্টাচার্য ছিলেন বিশ শতকের ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রধান কবি যিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে কবিতা লিখেছিলেন। - তাঁর কবিতায় শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, দ্রোহ, প্রতিবাদ এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের চিত্র স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাড়পত্র ব্যাখ্যা: এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয় এবং এতে অসাম্য সমাজের বিরুদ্ধে কিশোর কবির দীপ্ত উচ্চারণ রয়েছে। উদাহরণ ২: পূর্বাভাস ব্যাখ্যা: এটিও সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যেখানে মেহনতী মানুষের মুক্তির বার্তা ও আশাবাদের সুর ধ্বনিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলামের — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী কবি হলেও এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তাঁর কোনো কবিতার অংশ নয়। B) বুদ্ধদেব বসুর — বুদ্ধদেব বসু আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম পুরোধা ও ত্রয়ী কবির একজন হলেও এই পঙক্তিটি তাঁর রচিত নয়। C) অমিয় চক্রবর্তীর — অমিয় চক্রবর্তী বুদ্ধিবৃত্তিক ও আধুনিক কাব্যের চর্চা করলেও এই পঙক্তিটি তাঁর কোনো কবিতার অন্তর্ভুক্ত নয়। D) সুকান্ত ভট্টাচার্যের — এই অপশনটি সঠিক কারণ পঙক্তিটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'হে মহাজীবন' কবিতার অবিনাশী লাইন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্ষুধার জ্বালা ও রুটির কথা থাকলে চোখ বন্ধ করে কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যকে মনে রাখবে। - পূর্ণিমার চাঁদকে ঝলসানো রুটি ভাবার মতো এমন দ্রোহী ও বাস্তবধর্মী কল্পনা কেবল সুকান্ত ভট্টাচার্যের পক্ষেই সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'ছাড়পত্র', 'অভিষেক' এবং 'হে মহাজীবন' কবিতা থেকে প্রায়শই চরণ তুলে প্রশ্ন করা হয়। - কবির জন্ম ১৯২৬ সালে এবং মৃত্যু ১৯৪৪৭ সালে, অত্যন্ত স্বল্পায়ু জীবনেও তিনি বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0