প্রশ্নের বর্ণনা

a সুকেশী
b সুকেশা
c সুকেশীনী
d সুকেশিনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুকেশীনী ১. কেন সঠিক: সুকেশী শব্দের সাথে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় হিসেবে নী যুক্ত করে সুকেশীনী শব্দটি গঠন করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং অশুদ্ধ। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সুকেশা শব্দের সাথে ইনি প্রত্যয় যুক্ত করে শুদ্ধ স্ত্রীবাচক শব্দ সুকেশিনী গঠন করতে হয়, তাই সি অপশনটি অশুদ্ধ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষ বিশেষ শব্দের ক্ষেত্রে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যোগ করার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। সুকেশা শব্দের শেষে আ বা আ প্রত্যয়ান্ত পদের সাথে ইনি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেধাবী ব্যাখ্যা: মেধাবী শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ মেধাবিনী, যেখানে নী প্রত্যয় যুক্ত হয় না। উদাহরণ ২: গুণী ব্যাখ্যা: গুণী শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ গুণিনীদের ক্ষেত্রেও বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুকেশী — এটি একটি শুদ্ধ শব্দ এবং সুকেশা শব্দের বিকল্প হিসেবে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। B) সুকেশা — এটি মূল বিশেষণ পদ যার অর্থ সুন্দর কেশ বা চুল বিশিষ্ট নারী। C) সুকেশীনী — এটি ভুল বানান কারণ সুকেশী শব্দের সাথে অতিরিক্ত ন যুক্ত করে দ্বিত্ব প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে। D) সুকেশিনী — এটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রমিত ও শুদ্ধ বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: দীর্ঘ ঈ কার এবং হ্রস্ব ই কারের ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুকেশিনী বানানে শেষের দিকে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করতে হয়। অশুদ্ধ দ্বিত্ব প্রত্যয় এড়িয়ে চলার জন্য মূল শব্দের সাথে সঠিক প্রত্যয় যোগ করার নিয়ম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বানান শুদ্ধিকরণে প্রত্যয়জনিত ভুলগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। শব্দের স্ত্রীবাচক রূপান্তরের সময় অতিরিক্ত বর্ণ যুক্ত করে বানান ভুল করার প্রবণতা থেকে সতর্ক থাকতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0