প্রশ্নের বর্ণনা

a জাহান্নাম হইতে বিদায়
b জননী
c কর্ণফুলী
d সূর্য দীঘল বাড়ি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাহান্নাম হইতে বিদায় ১. কেন সঠিক: - জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পটভূমিতে রচিত এবং এটি প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত। - শহীদ জননী জাহানারা ইমামের এই উপন্যাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের বর্বরতা এবং বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রামের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক শওকত ওসমান ১৯৭১ সালে সংঘটিত মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে এই উপন্যাসটি রচনা করেন এবং এটি ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের মনস্তত্ত্ব, মুক্তিযুদ্ধের অনিবার্য প্রয়োজনীয়তা এবং আত্মত্যাগের মহিমা অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলাঙ্গী ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: ক্রীতদাসের হাসি ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত রূপকধর্মী উপন্যাস যার জন্য তিনি আদমজী সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাহান্নাম হইতে বিদায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি শওকত ওসমান রচিত প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। B) জননী — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি শওকত ওসমানের গ্রামীণ সমাজজীবনের ওপর রচিত একটি ক্লাসিক উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। C) কর্ণফুলী — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের চট্টগ্রাম অঞ্চলের নদী ও মানুষের জীবনভিত্তিক একটি উপন্যাস। D) সূর্য দীঘল বাড়ি — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি আবু ইসহাক রচিত ১৯৫০ সালের গ্রামীণ জনপদ ও অভাব অনটনের পটভূমির একটি উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের নাম মনে রাখলেই মাথায় রাখতে হবে তাঁর প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস জাহান্নাম হইতে বিদায় ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শওকত ওসমানের আসল নাম শেখ আজিজুর রহমান এবং তাঁর জন্ম পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায়। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায় এবং রাইফেল রোটি আওরাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি নাম।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0