প্রশ্নের বর্ণনা

a মোতাহের হোসেন চৌধুরী
b গোপাল হায়দার
c আবুল ফজল
d সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মোতাহের হোসেন চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'সংস্কৃতির কথা' প্রবন্ধটি বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ মোতাহের হোসেন চৌধুরীর একটি অত্যন্ত খ্যাতনামা রচনা। - এই প্রবন্ধে লেখক সংকীর্ণতা ও গোঁড়ামি পরিহার করে মুক্তবুদ্ধি, মানবতাবাদ এবং সংস্কৃতির প্রকৃত স্বরূপ অনুধাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোতাহের হোসেন চৌধুরী বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন অন্যতম প্রধান পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও প্রাবন্ধিক। - তাঁর রচিত 'সংস্কৃতির কথা' প্রবন্ধটি মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বাংলা পাঠ্যপুস্তকে বহু বছর ধরে শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ও পঠিত হয়ে আসছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোতাহের হোসেন চৌধুরীর 'সভ্যতা' প্রবন্ধ। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধ, যা মানুষের মননশীলতা ও জীবনবোধকে সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: মোতাহের হোসেন চৌধুরীর অনূদিত 'রবীন্দ্রনাথের সংক্ষিপ্ত পরিচয়'। ব্যাখ্যা: এটি ফরাসি সাহিত্যিক আন্দ্রে মুরে এর 'La Vie de Tagore' গ্রন্থের অনুবাদ, যা তাঁর অনুবাদকর্মের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোতাহের হোসেন চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। B) গোপাল হায়দার — এটি ভুল কারণ গোপাল হায়দার মোতাহের হোসেন চৌধুরী নন এবং তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেননি। C) আবুল ফজল — এটি ভুল কারণ আবুল ফজল একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক হলেও 'সংস্কৃতির কথা' গ্রন্থের রচয়িতা তিনি নন। D) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি ভুল কারণ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ মূলত তাঁর মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস ও ছোটগল্পের জন্য বিখ্যাত, এই প্রবন্ধগ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে মনের সংকীর্ণতা দূর করতে মোতাহের হোসেন চৌধুরীর মুক্তবুদ্ধি চর্চার কথা মনে রাখতে পারেন। - সংস্কৃতি ও মুক্তবুদ্ধি কথাটি একসঙ্গে মনে রাখলেই মোতাহের হোসেন চৌধুরীর নাম মনে পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন এবং এর সাথে জড়িত লেখকদের নাম প্রায়ই আসে। - মোতাহের হোসেন চৌধুরীর প্রবন্ধগুলোর মূল সুর হলো মানবতাবাদ এবং ধর্মনিরপেক্ষ চিন্তা।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0