প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b মোহাম্মদ মোদাব্বের
c মোজাম্মেল হক
d সৈয়দ মুজতবা আলী
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মোহাম্মদ মোদাব্বের ১. কেন সঠিক: - 'জাপান ঘুরে এলাম' ভ্রমণকাহিনীটির রচয়িতা বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মোহাম্মদ মোদাব্বের। - ভ্রমণ সাহিত্য ধারায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন যেখানে লেখকের জাপান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সহজ ও সাবলীল ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোহাম্মদ মোদাব্বের একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক, শিশুসাহিত্যিক ও প্রকৃতিপ্রেমী লেখক ছিলেন। - ভ্রমণসাহিত্য সাধারণত লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, ভূপ্রকৃতি এবং ভিনদেশি সংস্কৃতির বর্ণনার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলো যাই জঙ্গল ব্যাখ্যা: এটি মোহাম্মদ মোদাব্বেরের লেখা শিশুতোষ ভ্রমণ ও প্রকৃতিভিত্তিক একটি জনপ্রিয় গ্রন্থ। উদাহরণ ২: পাহাড়ি মুলুকে ব্যাখ্যা: এটিও মোহাম্মদ মোদাব্বের রচিত পাহাড়ি অঞ্চলের জীবনাচার ও ভ্রমণভিত্তিক একটি পরিচিত সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জাপান ভ্রমণ করলেও 'জাপান ঘুরে এলাম' নামে কোনো ভ্রমণকাহিনী রচনা করেননি, তার বিখ্যাত ভ্রমণগ্রন্থের নাম 'জাপানযাত্রী'। B) মোহাম্মদ মোদাব্বের — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মোহাম্মদের মোদাব্বেরের একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী। C) মোজাম্মেল হক — মোজাম্মেল হক মূলত রোমান্টিক ধারার কবি ও কথাসাহিত্যিক ছিলেন, ভ্রমণসাহিত্য রচনার জন্য তিনি পরিচিত নন। D) সৈয়দ মুজতবা আলী — সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভ্রমণকাহিনীকার হলেও 'জাপান ঘুরে এলাম' গ্রন্থটি তার লেখা নয়, তার বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী হলো 'দেশে বিদেশে'। ৫ মনে রাখার টিপস: জাপান ঘুরে আসার ঘটনা মোদের দেশে সবার মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছিল, এভাবে মোদাব্বের নামটির সাথে মেলাতে পারো। ভ্রমণসাহিত্য মনে রাখার জন্য লেখকের নাম এবং তার বিখ্যাত একটি দেশের নাম নোট খাতায় লিখে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভ্রমণকাহিনীর লেখক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'জাপানযাত্রী' এবং সৈয়দ মুজতবা আলীর 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনীগুলোও ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0