প্রশ্নের বর্ণনা

a রফিক আজাদ
b মোহাম্মদ রফিক
c শহীদ কাদরী
d সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শহীদ কাদরী ১. কেন সঠিক: - ‘উত্তরাধিকার’ হলো আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শহীদ কাদরীর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। - এই কাব্যগ্রন্থে কবির নগরকেন্দ্রিক আধুনিক মনন, সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট এবং নাগরিক জীবনের যন্ত্রণার শিল্পরূপ ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ কাদরী ১৯৪২ সালের চৌঠা আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি বাংলা কবিতায় নগরচেতনা ও আধুনিকতার প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত। - তার কবিতায় নাগরিক জীবনের যান্ত্রিকতা, নির্জনতা এবং দ্রোহ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে প্রকাশিত হয়েছে, যা বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকের কবিতাকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘তোমার পায়ের শব্দ’ ব্যাখ্যা: এটি কবি শহীদ কাদরীর অত্যন্ত পরিচিত একটি কাব্যগ্রন্থ যা তার কাব্যশৈলী বুঝতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: ‘তমার’ ব্যাখ্যা: এটিও কবি শহীদ কাদরীর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রফিক আজাদ — কারণ তিনি ‘উত্তরাধিকার’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘অসম্ভবের পায়ে’। B) মোহাম্মদ রফিক — কারণ তিনি এই কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেননি, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘কপিল মজাতির পিচবোর্ড’। D) সৈয়দ শামসুল হক — কারণ তিনি এই কাব্যগ্রন্থের লেখক নন, তিনি একাধারে কবিতা, নাটক ও উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। ৫. মনে রাখার টিপস: - শহীদ কাদরীর প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার সূত্র হলো, শহীদ কাদরী উত্তরাধিকার সূত্রে তামা ও পায়ের শব্দ পেয়েছিলেন। - এভাবে কবির প্রধান তিনটি কাব্যগ্রন্থ উত্তরাধিকার, তামা এবং তোমার পায়ের শব্দ সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শহীদ কাদরী মাত্র তিনটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেও বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন, যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। - কবি শহীদ কাদরীর কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখলে এই সম্পর্কিত প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যাবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0