প্রশ্নের বর্ণনা

a সাজু
b রূপাই
c দুখী
d সোজন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রূপাই ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'নকশী কাঁথার মাঠ' কাব্যগ্রন্থের রূপাই চরিত্রের শারীরিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে এই পঙক্তিটি ব্যবহার করা হয়েছে। রূপাইয়ের সুঠাম ও কৃষাঙ্গ দেহের গঠন বোঝাতে তার বাহুযুগলের তুলনা জালি লাউয়ের ডগার সঙ্গে করা হয়েছে যা গ্রামীণ লোকজ উপমার এক অনন্য শিল্পরূপ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত পঙক্তি ও চরিত্র ভিত্তিক কবিতা অংশ থেকে এসেছে। পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের লেখা 'নকশী কাঁথার মাঠ' একটি জনপ্রিয় কাহিনীমূলক দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ যাতে রূপাই ও সাজুর গ্রামীণ প্রেমের করুণ পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসমানী কবিতার সেই মেয়েটির মুখ খানি মলিন তাহার পাখির মতন হাঁড়ে। ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীনের আসমানী কবিতায় গ্রামীণ দরিদ্র শিশুর শারীরিক রূপ ফুটিয়ে তুলতে এই লোকজ উপমা ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: রূপাই তোমার সাথে আমি আর কথা কইব না গো। ব্যাখ্যা: নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যে রূপাই ও সাজুর পারস্পরিক গ্রামীণ প্রেমের কথোপকথন প্রকাশ করতে এই জাতীয় পঙক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাজু — সাজু এই কাব্যের নারী চরিত্র কিন্তু তার শারীরিক সৌন্দর্যের বর্ণনায় এই পঙক্তিটি ব্যবহার করা হয়নি। B) রূপাই — এই অপশনটি সঠিক কারণ রূপাইয়ের সুঠাম বাহুর বর্ণনা দিতেই কবি এই পঙক্তিটি রচনা করেছেন। C) দুখী — দুখী জসীমউদ্দীনের সোজন বাদিয়ার ঘাট কাব্যের চরিত্র তাই এই প্রশ্নের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। D) সোজন — সোজন সোজন বাদিয়ার ঘাট কাব্যের প্রধান পুরুষ চরিত্র যার সঙ্গে রূপাই চরিত্রের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: লাউডগার মতো নরম ও সরু বাহু ছিল রূপাইয়ের। জসীমউদ্দীনের রূপাই চরিত্র মানেই গ্রামীণ লোকজ উপমায় ভরপুর এক সুঠাম বাঙালি যুবকের অবয়ব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জসীমউদ্দীনের নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা পলীগীতিকা বা দীর্ঘ কবিতা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের লোকজ উপমাযুক্ত পঙক্তি কার লেখা বা কার উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0