প্রশ্নের বর্ণনা

a অর্থ পরিবর্তিত হয়
b অর্থের অবনতি ঘটে
c সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়
d সৌন্দর্য হ্রাস পায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় ১. কেন সঠিক: সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে বাক্যের ভাব অক্ষুণ্ণ রেখে ভাষার বৈচিত্র্য ও লালিত্য আনা হয়। একই শব্দ বারবার ব্যবহার না করে সমার্থক শব্দ ব্যবহার করলে লেখার বা বাক্যের নান্দনিক রূপ ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে কিন্তু রূপ আলাদা হয়। বাংলা সাহিত্যে ও লেখনিতে ভাষার প্রমিত ব্যবহার এবং একঘেয়েমি দূর করতে সমার্থক শব্দের বিকল্প ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশ আজ মেঘে ঢাকা। এই বাক্যের পরিবর্তে গগন আজ মেঘাচ্ছন্ন বললে বাক্যটির ভাব ঠিক থাকে এবং শব্দের বৈচিত্র্যের কারণে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। ব্যাখ্যা: আকাশ শব্দের সমার্থক গগন এবং ঢাকা শব্দের সমার্থক মেঘাচ্ছন্ন ব্যবহার করায় বাক্যের শৈল্পিক রূপ উন্নত হয়েছে। উদাহরণ ২: ফুলটি দেখতে খুব সুন্দর। এর বদলে পুষ্পটি দেখতে খুব মনোরম বলা যেতে পারে। ব্যাখ্যা: ফুল শব্দের সমার্থক পুষ্প এবং সুন্দর শব্দের সমার্থক মনোরম ব্যবহার করায় বাক্যের প্রকাশভঙ্গি আরও আকর্ষণীয় হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ পরিবর্তিত হয় — সমার্থক শব্দের অর্থ সাধারণত একই বা কাছাকাছি থাকে, তাই এর ব্যবহারে মূল অর্থের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। B) অর্থের অবনতি ঘটে — সমার্থক শব্দ ভাষা ও ভাবের উৎকর্ষ সাধন করে, তাই এর ব্যবহারে অর্থের কোনো অবনতি ঘটে না। C) সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় — এটি সঠিক কারণ সমার্থক শব্দের সঠিক প্রয়োগ বাক্যের বা লেখার সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। D) সৌন্দর্য হ্রাস পায় — সমার্থক শব্দ ব্যবহারের ফলে বাক্য একঘেয়েমি দোষমুক্ত হয় এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়, হ্রাস পায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যের একঘেয়েমি দূর করতে এবং ভাষার সৌন্দর্য বাড়াতে সমার্থক শব্দ জাদুকরী ভূমিকা পালন করে। মনে রাখবে, সমার্থক শব্দ মানেই ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দার্থ ও বাক্যপ্রকরণ থেকে এমন প্রশ্ন আসে। একই শব্দের পুনরাবৃত্তি এড়াতে এবং বাক্যকে শ্রুতিমধুর করতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার জানতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0