প্রশ্নের বর্ণনা

a দিনের প্রথম ভাগ
b আনন্দের বিষয়
c বিপদে পড়া
d সৌভাগ্যের বিষয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৌভাগ্যের বিষয় ১. কেন সঠিক: - 'একাদশে বৃহস্পতি' একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা যার শাব্দিক অর্থ হলো একাদশ ঘরে বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থান এবং ভাবগত অর্থ হলো সৌভাগ্যের বিষয় বা সুসময়। - জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী কুণ্ডলীতে বৃহস্পতি গ্রহ অনুকূলে বা একাদশ স্থানে থাকলে মানুষের জীবনে চরম সৌভাগ্য ও সাফল্য আসে, যা এই বাগধারার উৎস। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় বাগধারা, যা বিশেষ কোনো শব্দগুচ্ছের মাধ্যমে সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - এই ধরনের বাগধারাগুলো আমাদের ভাষা ও প্রকাশভঙ্গিকে আকর্ষণীয় ও সমৃদ্ধ করে তোলে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বচন ও বাগধারা অংশ থেকে প্রশ্ন হিসেবে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এতদিন বেকার থাকার পর অবশেষে ভালো একটি চাকরি পেয়েছি, একেই বলে একাদশে বৃহস্পতি। ব্যাখ্যা: দীর্ঘদিনের কষ্ট শেষে হঠাৎ বড় কোনো সৌভাগ্য বা সফলতা পাওয়ার পরিস্থিতি বোঝাতে এই উদাহরণটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসায় বারবার লোকসান দেওয়ার পর হঠাৎ বড় অর্ডার পেয়ে আমার একাদশে বৃহস্পতি দশা শুরু হয়েছে। ব্যাখ্যা: প্রতিকূল অবস্থা কেটে গিয়ে হঠাৎ সুসময় ও সৌভাগ্য ফিরে আসার অবস্থাকে বোঝাতে এটি অত্যন্ত উপযোগী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনের প্রথম ভাগ — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ দিনের প্রথম ভাগ বলতে সকাল বা পূর্বাহ্ন বোঝায়, যা আলোচ্য বাগধারার ভাগ্যে ভালো সময় আসার সঙ্গে মেলে না। B) আনন্দের বিষয় — এই অপশনটি ভুল কারণ আনন্দের বিষয় বলতে সাধারণ সুখ বা উল্লাসের মুহূর্ত বোঝায়, কিন্তু এটি নির্দিষ্ট কোনো সৌভাগ্য বা সুসময়কে নির্দেশ করে না। C) বিপদে পড়া — এই অপশনটি ভুল কারণ বিপদে পড়া হলো দুর্ভাগ্যের লক্ষণ, যা 'একাদশে বৃহস্পতি' বাগধারার সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) সৌভাগ্যের বিষয় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাগধারাটির প্রকৃত ও প্রমিত অর্থকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ উপায় হলো আকাশ বা জ্যোতিষশাস্ত্রে বৃহস্পতি গ্রহ হলো মঙ্গলের প্রতীক, তাই বৃহস্পতি অনুকূলে থাকা মানেই হলো ভাগ্য জোরালো বা সৌভাগ্যের বিষয়। - গ্রহের নাম যুক্ত বাগধারাগুলো মনে রাখতে এদের উৎস বা জ্যোতিষশাস্ত্রীয় পটভূমি একটু খেয়াল রাখলেই উত্তর দেওয়া সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্যের অর্থ প্রকাশকারী বাগধারাগুলো গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই 'একাদশে বৃহস্পতি' ও 'অগাধ জলের মাছ' এগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - একই রকম আরেকটি সৌভাগ্যসূচক বাগধারা হলো 'বসুন্ধরা পতন' বা 'হাতে চাঁদ পাওয়া', এগুলো একসঙ্গে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0