প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রাণিজগৎ
b প্রাণীজগৎ
c মন্ত্রীসভা
d স্থায়ীত্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাণিজগৎ ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সমাসবদ্ধ পদের ক্ষেত্রে ই-কার দীর্ঘ ই-কার হওয়ার কথা থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়। প্রাণী শব্দের শেষে দীর্ঘ ই-কার থাকলেও যখন এটি অন্য কোনো পদের সাথে যুক্ত হয়ে সমাসবদ্ধ শব্দ গঠন করে, তখন এর শেষের দীর্ঘ ই-কার হ্রস্ব ই-কার হয়ে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানান নিয়মের ৭.৫ উপধারায় বলা হয়েছে যে প্রাণী শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দ যুক্ত হলে ই-কার হ্রস্ব ই-কার হবে। যেমন প্রাণী যোগ জগৎ সমান প্রাণিজগৎ। এই নিয়মের মূল কারণ হলো সমাসবদ্ধ বা দীর্ঘ শব্দে উচ্চারণ সহজ ও সাবলীল রাখা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রাণিবিদ্যা ব্যাখ্যা: প্রাণী শব্দের সঙ্গে বিদ্যা যুক্ত হয়ে প্রাণিবিদ্যা গঠিত হয়েছে যেখানে দীর্ঘ ই-কার হ্রস্ব ই-কার রূপ ধারণ করেছে। উদাহরণ ২: প্রাণিকুল ব্যাখ্যা: প্রাণী শব্দের সঙ্গে কুল যুক্ত হয়ে প্রাণিকুল গঠিত হয়েছে এবং নিয়মানুযায়ী এখানেও হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাণিজগৎ — এটি বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি অনুমোদিত রূপ। B) প্রাণীজগৎ — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রাণী শব্দের দীর্ঘ ই-কার সমাসবদ্ধ পদে হ্রস্ব ই-কার হওয়ার নিয়ম রয়েছে। C) মন্ত্রীসভা — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক বানান হবে মন্ত্রীসভা নয় বরং মন্ত্রিসভা যেখানে দীর্ঘ ই-কার হ্রস্ব ই-কার হবে। D) স্থায়ীত্ব — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক বানান হবে স্থায়িত্ব যেখানে দীর্ঘ ই-কার হবে না। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাণী বা মন্ত্রী জাতীয় শব্দ যখন অন্য শব্দের সাথে মিশে সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করে, তখন তাদের দীর্ঘ ই-কার ছোট হয়ে হ্রস্ব ই-কার হয়ে যায়। এটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে বানান সংক্রান্ত ভুল এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণী এবং মন্ত্রী সম্পর্কিত বানান প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। তাই সমাসবদ্ধ শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার হ্রস্ব হওয়ার এই বিশেষ নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0