প্রশ্নের বর্ণনা

a নামাজ
b রোযা
c খোদা
d হজ্জ্ব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হজ্জ্ব ১. কেন সঠিক: হজ্জ্ব শব্দটি মূল আরবি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি ইসলাম ধর্মীয় পরিভাষা। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি শব্দগুলোর একটি বড় অংশ এসেছে মূলত ইসলাম ধর্মের নানা আচার-অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় পরিভাষার সঙ্গে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি শব্দগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি শ্রেণি। ধর্মীয় কাজের সঙ্গে জড়িত শব্দ যেমন হজ্জ্ব, যাকাত, রোযা (ফার্সি শব্দ হলেও ইসলামি প্রসঙ্গে ব্যবহৃত) ইত্যাদির মধ্যে উৎসের পার্থক্য রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আল্লাহ ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত খাঁটি আরবি শব্দ যা সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ইসলাম ব্যাখ্যা: এটিও একটি আরবি শব্দ যার অর্থ শান্তি এবং এটি একটি প্রধান ধর্মের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নামাজ — এটি একটি ফার্সি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় উপাসনা অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর আরবি প্রতিশব্দ সালাত। B) রোযা — এটি ফার্সি শব্দ, যার আরবি প্রতিশব্দ সাওম এবং এটি উপবাস বোঝাতে বাংলা ভাষায় প্রচলিত। C) খোদা — এটি ফার্সি ভাষা থেকে আগত শব্দ, যা সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বর অর্থে বাংলা সাহিত্যে ও কথ্য ভাষায় ব্যবহৃত হয়। D) হজ্জ্ব — এটি সঠিক আরবি শব্দ এবং মুসলমানদের পবিত্র তীর্থযাত্রাকে বোঝাতে এটি বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নামাজ, রোযা, খোদা, বেহেশত, দোজখ এগুলো ফার্সি শব্দ এবং হজ্জ্ব, যাকাত, কুরবানি এগুলো আরবি শব্দ। ধর্মীয় পরিভাষা মনে রাখার সময় ফার্সি ও আরবি শব্দের এই সূক্ষ্ম পার্থক্য খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন ভাষা থেকে কোন শব্দগুলো বাংলা ভাষায় এসেছে, তার একটি তালিকা মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0