প্রশ্নের বর্ণনা

a সনাতন হিন্দু
b সহজিয়া বৌদ্ধ
c জৈন
d হরিজন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সহজিয়া বৌদ্ধ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা গান। এটি আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এটি মূলত বৌদ্ধ ধর্মের সহজিয়া সম্প্রদায়ের সাধকদের সাধন সংগীত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদের পদগুলো রচিত হয়েছে বজ্রযান ও সহজযান নামক বৌদ্ধ ধর্মের একটি বিশেষ শাখার দার্শনিক তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে। এতে তৎকালীন সমাজের চিত্র ও ধর্মের কথা বলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের শ্রেষ্ঠ পদকর্তা কাহ্নপা। তার মোট তেরাটি পদ পাওয়া গেছে। ব্যাখ্যা: কাহ্নপা সহজিয়া বৌদ্ধ ধর্মের অন্যতম প্রধান আচার্য ও পদকর্তা ছিলেন। উদাহরণ ২: চর্যাপদের টিকাকার মুনীদত্ত। তিনি এর সংস্কৃত টিকা রচনা করেছিলেন। ব্যাখ্যা: টিকাকার মুনীদত্ত চর্যাপদের বৌদ্ধ ধর্মের ভাবার্থ সহজে বোঝাতে টিকা লিখেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সনাতন হিন্দু — চর্যাপদ হিন্দু ধর্মের কোনো গ্রন্থ বা সাহিত্য নয় কারণ এটি বৌদ্ধ ধর্মের সাধকদের দ্বারা রচিত। B) সহজিয়া বৌদ্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ চর্যাপদের কবিরা সহজিয়া বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ছিলেন। C) জৈন — চর্যাপদে জৈন ধর্মের কোনো প্রভাব বা সাহিত্যিক নিদর্শন পাওয়া যায় না। D) হরিজন — হরিজন কোনো ধর্ম নয়, তাই এটি চর্যাপদের সাহিত্যিক ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ ও বৌদ্ধ ধর্ম মনে রাখতে সহজিয়া বৌদ্ধ কথাটি মনে রাখবে। বৌদ্ধ ধর্মের সহজিয়া সাধকরাই এই পদগুলো রচনা করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের ভাষা হলো বাংলা ভাষার আদি রূপ বা সান্ধ্য ভাষা। এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0