প্রশ্নের বর্ণনা

a আদি সিদ্ধাচার্য
b চর্যাকর
c শবরীর পতি
d হস্তীবিশারদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চর্যাকর ১. কেন সঠিক: চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাপদে মোট ত्रेइষজন পদকর্তা বা চর্যাকর পদ রচনা করেছেন। শবর পা ছিলেন চর্যাপদের অন্যতম একজন প্রধান পদকর্তা বা চর্যাকর যিনি কবিতা বা গান রচনা করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং আদি কাব্য। ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০७ সালে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাহ্ন পা ব্যাখ্যা: কাহ্ন পা চর্যাপদের সর্বাধিক সংখ্যক অর্থাৎ তেরোটি পদ রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: ভুসুক পা ব্যাখ্যা: ভুসুক পা চর্যাপদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক অর্থাৎ আটটি পদ রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদি সিদ্ধাচার্য — এই উপাধিটি সামগ্রিকভাবে চর্যাপদের পদকর্তাদের বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও শবর পা নির্দিষ্টভাবে একজন চর্যাকর হিসেবে বেশি পরিচিত। B) চর্যাকর — এই উত্তরটি সঠিক কারণ তিনি চর্যাপদে পদ রচনা করেছেন। C) শবরীর পতি — শবর পা এর নামের সাথে মিল থাকলেও এটি তার সাহিত্যিক পরিচয় বা চর্যাপদের পদকর্তা হিসেবে সঠিক পরিচয় নয়। D) হস্তীবিশারদ — হস্তীবিশারদ বলতে হাতি সম্পর্কে বিশেষজ্ঞকে বোঝায় যা চর্যাপদের পদকর্তাদের সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের পদকর্তাদের নামের শেষে পা যুক্ত থাকে যেমন শবর পা, কাহ্ন পা, ভুসুক পা। এদের মূল পরিচয় তাঁরা হলেন চর্যাকর বা পদ রচয়িতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের মোট পদকর্তার সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন মত থাকলেও ডক্টর সুকুমার সেনের মতে পদকর্তা চব্বিশ জন। শবর পা চর্যাপদের কত নম্বর পদ রচনা করেছেন এবং তার ভাষার রূপ কেমন ছিল, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0