প্রশ্নের বর্ণনা

a কোলন
b সেমিকোলন
c কমা
d হাইফেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হাইফেন ১. কেন সঠিক: সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদের অংশগুলোকে আলাদা করে স্পষ্ট করার জন্য হাইফেন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত পরীক্ষার্থী বা পাঠকের সহজে বোঝার সুবিধার্থে সমাসের ব্যাসবাক্য বা পদের সংযোগস্থল নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমাসবদ্ধ পদে উপাদানগুলোর সম্পর্ক বোঝাতে এবং তাদের পৃথকভাবে দৃশ্যমান করতে হাইফেন (-) ব্যবহার করা হয়। প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সমাসবদ্ধ পদের মাঝখানে সাধারণত হাইফেন বসে না, তবে বিশেষ ক্ষেত্রে বা পঠনপাঠনের সুবিধার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতা-পিতা ব্যাখ্যা: এটি একটি দ্বন্দ্ব সমাসের পদ, যেখানে দুটি পদের স্বকীয়তা বোঝাতে হাইফেন ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সুখে-দুখে ব্যাখ্যা: সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো আলাদা করে দেখানোর জন্য এখানে হাইফেন ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোলন — কোলন সাধারণত একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য আরেকটি বাক্য বা উদাহরণ টোনার জন্য ব্যবহৃত হয়, সমাসবদ্ধ পদ বিচ্ছিন্ন করতে নয়। B) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমার চেয়ে বেশি এবং কোলনের চেয়ে কম বিরতির জন্য বাক্যের মাঝখানে বসে, সমাসের জন্য নয়। C) কমা — কমা বাক্যের ভেতরে স্বল্প বিরতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, সমাসবদ্ধ পদের অংশ আলাদা করার জন্য এটি নির্ধারিত নয়। D) হাইফেন — এটি সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখানোর জন্য ব্যবহৃত সঠিক চিহ্ন। ৫ মনে রাখার টিপস: সমাসবদ্ধ পদের জোড়া লাগা অংশগুলোকে টান দিয়ে আলাদা করতে হাইফেন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। তাই সমাস ও হাইফেনের সম্পর্ক মনে রাখা খুবই সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন যতিচিহ্নে কতটুকু থামতে হয় এবং কোন চিহ্নের কী কাজ, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0