প্রশ্নের বর্ণনা

a তাঁবেদার
b বাহাদুরি
c কনকনে
d হাজিরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তাঁবেদার ১. কেন সঠিক: তাঁবেদার শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি বিদেশী শব্দ, যার সাথে ফারসি তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। বিশেষ্য পদের সাথে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে এবং এখানে তা বিদেশী শব্দে প্রযোজ্য হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের নিয়মানুসারে শব্দের মূল অংশের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়। নাম শব্দের পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয় এবং উৎসের দিক থেকে এটি বিদেশী প্রত্যয়যোগে গঠিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কারিগর ব্যাখ্যা: এটি একটি বিদেশী তদ্ধিত প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেখানে ফারসি শব্দ ও প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: দোকানদার ব্যাখ্যা: দোকান শব্দের সাথে দার প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিদেশী তদ্ধিতান্ত শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাঁবেদার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিদেশী তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত। B) বাহাদুরি — এটি বাংলা বা দেশী তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ নয়, তবে এটি ভাববাচক তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ। C) কনকনে — এটি একটি ধনাত্মক বা অনুকার অব্যয়ের দ্বিরুক্তি শব্দ, তদ্ধিত প্রত্যয়ের নয়। D) হাজিরা — এটি আরবি শব্দের সাথে বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ, তাই বিদেশী তদ্ধিত প্রত্যয় নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দটি কোন ভাষার এবং তার সাথে কোন প্রত্যয় যুক্ত আছে তা খেয়াল রাখবে। দার, গিরি, বান্দা ইত্যাদি প্রত্যয়যুক্ত শব্দ দেখলে বিদেশী তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে বিবেচনা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস এবং প্রত্যয়ের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিদেশী শব্দের সাথে কোন ধরনের প্রত্যয় যুক্ত হয় তা ভালোভাবে অনুশীলন করবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0