প্রশ্নের বর্ণনা

a হাতে কলমে
b হাতে নাতে
c হাতে খড়ি
d হাতাহাতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হাতাহাতি ১. কেন সঠিক: হাতাহাতি শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো হাতে হাতে যে লড়াই বা যুদ্ধ। পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের যুক্তিতে ক্রিয়ার পারস্পরিক বোঝাপড়া প্রকাশ পাওয়ায় এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে পারস্পরিক বা একে অপরকে বোঝায়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে। সাধারণত এই সমাসে আ বা ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দের শেষ হয় এবং একই শব্দের দ্বিরুক্তি ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কানাকানি ব্যাখ্যা: কানে কানে যে কথা, এটি একটি ব্যতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ কারণ এখানে ক্রিয়ার পারস্পরিক আদান-প্রদান বোঝায়। উদাহরণ ২: কোলাকুলি ব্যাখ্যা: কোলে কোলে যে মিলন, এটিও ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের শব্দ কারণ এখানেও পারস্পরিকতার ভাব প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাতে কলমে — এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি নয়, বরং হাত ও কলম অর্থে অলুক দ্বন্দ সমাসের বা করণ কারকের রূপ বোঝায়। B) হাতে নাতে — এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস নয়, এটি একটি বিশেষার্থক বাগধারা বা ক্রিয়াবিশেষণ পদ। C) হাতে খড়ি — এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি নয়, হাত খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে, অর্থে এটি অলুক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। D) হাতাহাতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ হাতে হাতে যে লড়াই অর্থে পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝায় এবং আ প্রত্যয় যুক্ত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্যতিহার বহুব্রীহি চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শেষে সাধারণত আ বা ই প্রত্যয় থাকে এবং একই শব্দের পুনরাবৃত্তি ঘটে। যেমন কানাকানি, কোলাকুলি, হাতাহাতি ইত্যাদি শব্দগুলো পারস্পরিক ক্রিয়া নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যতিহার বহুব্রীহি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে এবং অপশনে দ্বিরুক্ত শব্দ থাকে। তাই শব্দের শেষে আ বা ই প্রত্যয় এবং পারস্পরিক বোঝানোর বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0