প্রশ্নের বর্ণনা

a কল কাকলি
b মুগ্ধ নয়নে
c পথে প্রান্তরে
d হাতে হাতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হাতে হাতে ১. কেন সঠিক: - একই শব্দ বা তার রূপান্তর পরপর দুবার ব্যবহৃত হয়ে যদি বিশেষ কোনো ভাব, তীব্রতা বা বহুত্ব প্রকাশ করে, তবে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। - হাতে হাতে শব্দটি একই পদের পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে কোনো কাজের দ্রুততা বা তাৎক্ষণিক ফল প্রকাশ করায় এটি দ্বিরুক্ত শব্দের সঠিক উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে কোনো শব্দ পরপর দুবার ব্যবহার করে নতুন অর্থ বা বিশেষ ভাব প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলা হয়। - পদ বা শব্দের এই দ্বিরুক্তি মূলত বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও অব্যয় পদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায় এবং এটি বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘরে ঘরে ব্যাখ্যা: একই বিশেষ্য পদের পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে সর্বত্র বা প্রত্যেকের অবস্থান বোঝাতে এটি দ্বিরুক্ত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: পাকা পাকা ব্যাখ্যা: একই বিশেষণ পদের দুবার ব্যবহারের মাধ্যমে গুণ বা অবস্থার আধিক্য বোঝাতে এটি দ্বিরুক্ত শব্দ হিসেবে কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কল কাকলি — এটি কোনো দ্বিরুক্ত শব্দ নয়, বরং দুটি ভিন্ন শব্দের সমন্বয়ে গঠিত একটি সমাসবদ্ধ বা জোড়া শব্দ। B) মুগ্ধ নয়নে — এটি একটি বিশেষ্য ও বিশেষণের সমন্বয়ে গঠিত পদগুচ্ছ, যেখানে কোনো শব্দের পুনরাবৃত্তি ঘটেনি। C) পথে প্রান্তরে — এটি দুটি ভিন্নার্থক শব্দের সমন্বয়ে গঠিত শব্দজোড় বা বিপরীতার্থক ভাবপ্রকাশক শব্দগুচ্ছ। D) হাতে হাতে — একই শব্দের পুনরাবৃত্তি থাকায় এটি একটি সঠিক দ্বিরুক্ত শব্দ এবং এটিই প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদা পূরণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - একই শব্দ পরপর দুবার বসে যদি বিশেষ কোনো অর্থ বা ভাব প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করবে। - জোড়া শব্দ বা ভিন্ন শব্দের মিলনকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলা যাবে না, কারণ দ্বিরুক্তির মূল শর্ত হলো একই শব্দের পুনরাবৃত্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদের দ্বিরুক্তি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই একই শব্দের জোড়া এবং ভিন্ন শব্দের জোড়ার পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - দ্বিরুক্ত শব্দের গঠন সাধারণত তিন প্রকারে হয়ে থাকে, যেমন শব্দের দ্বিরুক্তি, পদের দ্বিরুক্তি এবং অনুকার দ্বিরুক্তি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0