প্রশ্নের বর্ণনা

a যাযাবর
b অবধূত
c ভানুসিংহ
d হুতোম প্যাঁচা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হুতোম প্যাঁচা ১. কেন সঠিক: - হুতোম প্যাঁচা হলো উনবিংশ শতকের বিখ্যাত লেখক ও সমাজসংস্কারক কালীপ্রসন্ন সিংহের ছদ্মনাম। - তিনি এই ছদ্মনামে বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত নকশা জাতীয় গ্রন্থ হুতোম প্যাঁচার নকশা রচনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কালীপ্রসন্ন সিংহ ১৮৪০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং বাংলা নাট্যশালা প্রতিষ্ঠায় ও বিদ্যাসাগরের সমাজসংস্কার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। - হুতোম প্যাঁচার নকশা গ্রন্থটিতে তৎকালীন কলকাতার সমাজজীবনের নিখুঁত চিত্র ও চটুল কথ্য ভাষার চমৎকার ব্যবহার দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস এবং এটি তার প্রকৃত নামেই প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: কমলাকান্তের দপ্তর ব্যাখ্যা: এটি ব্যাংকিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা যেখানে তিনি কমলাকান্ত শর্মা ছদ্মনাম ব্যবহার করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যাযাবর — এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিনয় মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম এবং তিনি দৃষ্টিপাত উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। B) অবধূত — এটি লেখক ও সন্ন্যাসী দুলালচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম যিনি মরুতীর্থ হিংলাজ উপন্যাসের রচয়িতা। C) ভানুসিংহ — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম জীবনের কৈশোরকালীন কাব্যিক ছদ্মনাম। D) হুতোম প্যাঁচা — এটি কালীপ্রসন্ন সিংহের ছদ্মনাম যা হুতোম প্যাঁচার নকশা গ্রন্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - কালীর মতো কালকালি দিয়ে লেখা হয় এবং প্যাঁচের সাথে কালীপ্রসন্ন সিংহের বিখ্যাত নকশা গ্রন্থটি মিলিয়ে ছদ্মনামটি মনে রাখা সহজ। - হুতোম প্যাঁচা মানেই কালীপ্রসন্ন সিংহ এই সূত্রটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য মুখস্থ রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যেমন বঙ্কিমচন্দ্রের ছদ্মনাম কমলাকান্ত এবং রবীন্দ্রনাথের ভানুসিংহ। - হুতোম প্যাঁচার নকশা গ্রন্থটি কোন যুগের এবং এর ভাষা কেমন, তা ভালোভাবে পড়তে হবে কারণ এটি চলিত রীতির পূর্বসূরি কথ্য ভাষারীতির নিদর্শন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0