প্রশ্নের বর্ণনা

a মৃত্যঞ্জয় বিদ্যালষ্কার
b হেনরী লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
c দোম আন্তোনিয়ো
d হেনরী পিটস ফরস্টার
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দোম আন্তোনিয়ো ১. কেন সঠিক: বাঙালির লেখা প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ হলো 'ব্রাহ্মণ-রোমান-ক্যাথলিক সংবাদ'। এই গ্রন্থের রচয়িতা পর্তুগালেও বসবাসকারী বাঙালি দোম আন্তোনিয়ো, যিনি ১৭৩৪ সালে পর্তুগালের লিসবন শহর থেকে এটি প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দোম আন্তোনিয়ো ছিলেন একজন ভাওয়ালের রাজপরিবারের সন্তান যিনি পরে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন এবং তার নাম রাখা হয় দোম আন্তোনিয়ো। এটি বাংলা গদ্য সাহিত্যের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ। ব্যাখ্যা: এটিও পর্তুগিজ ভাষার মিশনারি দোম আন্তোনিও কর্তৃক রচিত একটি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র। ব্যাখ্যা: এটি পরবর্তীতে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুদ্রিত মৌলিক গ্রন্থ যার রচয়িতা মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃত্যঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ছিলেন এবং উনবিংশ শতাব্দীতে বাংলা গদ্যের বিকাশে অবদান রাখেন, তাই এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) হেনরী লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও — ইনি তরুণ বঙ্গ বা ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের প্রবক্তা এবং একজন কবি ছিলেন, তাই এই প্রাচীন গ্রন্থটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। D) হেনরী পিটস ফরস্টার — ইনি একজন ব্রিটিশ প্রাচ্যবিদ ও ব্যাকরণবিদ ছিলেন যিনি ইংরেজি ও বাংলা ভাষার ওপর কাজ করেছিলেন, তাই তিনি এই গ্রন্থের লেখক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: বাঙালির লেখা প্রথম মুদ্রিত বইয়ের নাম ও লেখক মনে রাখতে মনে রাখবে রোমান ক্যাথলিক ধর্মের সঙ্গে দোম আন্তোনিও নামটি যুক্ত। প্রাচীন আমলের এই গ্রন্থটি লিসবন থেকে মুদ্রিত হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাঙালি রচিত প্রথম গ্রন্থ বা প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থের নাম ও লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0