প্রশ্নের বর্ণনা

a কায়কোবাদ
b রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
c মধুসূদন দত্ত
d হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: মহাকাব্য জাতীয় রচনা বৃত্রসংহার এর রচয়িতা হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। উনিশ শতকের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান এই মহাকাব্যটি ১৮৭৫ থেকে ১৮৭৭ সালের মধ্যে দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কাব্যসাহিত্যে বীররস ও দেশপ্রেমের কবি হিসেবে পরিচিত। তার বৃত্রসংহার মহাকাব্যটি পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হলেও এর মধ্যে সমকালীন দেশপ্রেমের সুর ও জাতীয়তাবাদী চেতনার প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশ্মশান ব্যাখ্যা: এটি কায়কোবাদ রচিত একটি বিখ্যাত মহাকাব্য যা ঐতিহাসিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত। উদাহরণ ২: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কায়কোবাদ — তিনি মহাকাব্য জাতীয় রচনা মহাশ্মশান এর রচয়িতা, বৃত্রসংহার এর নন। B) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি ঐতিহাসিক রোমান্টিক কাব্য পদ্বিনী উপাখ্যান এর রচয়িতা। C) মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য এর রচয়িতা। D) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বৃত্রসংহার মহাকাব্যের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: বৃত্রসংহার মহাকাব্যের সাথে কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখতে হেম শব্দের সাথে বৃত্র বধের বীরত্বপূর্ণ ভাবটি মিলিয়ে নিতে পারো। মহাকাব্য রচয়িতাদের নাম মনে রাখার সময় তাদের প্রধান সাহিত্যকর্মের একটি তালিকা তৈরি করে পড়া ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের মহাকাব্য এবং এর রচয়িতাদের নাম বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় মাইকেল বলা হয় এবং তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো চিন্তা তরঙ্গিনী ও ভারতসঙ্গীত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0